Breaking







Wednesday, 15 July 2020

7/15/2020 02:30:00 am

Online GK Mocktest Part-33 for All Competitive Exams

Online GK Mocktest Part-33 for All Competitive Exams

Online GK Mocktest Part-33 for All Competitive Exams
Online GK Mocktest 
Hello Friends,
সমস্ত চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য Online GK Mocktest Part-33 -এর আয়োজন করা হলো| এই মকটেস্ট গুলি আপনাদের বাংলা জিকের জ্ঞানকে যাচাই করতে বেশ ভালোরকমভাবে সাহায্য করবে| আপনারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ক্যুইজ বা Mocktest গুলি দিতে পারবেন| 

               তাই দেরী না করে, "Start Quiz" বাটনে ক্লিক করে আজকের মকটেস্টে অংশগ্রহন করুন|

Online GK Mocktest Part-33

Bengali Gk Quiz-33

প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ৩০ সেকেন্ড সময়

Time's Up
score:

Quiz Result

Total Questions:

Attempt:

Correct:

Wrong:

Percentage:

Tuesday, 14 July 2020

7/14/2020 02:30:00 am

১০ জন শিখ গুরুর পরিচয় একনজরে -Ten Sikh Gurus

১০ জন শিখ গুরুর পরিচয় একনজরে -Ten Sikh Gurus

১০ জন শিখ গুরুর পরিচয় একনজরে -Ten Sikh Gurus
১০ জন শিখ গুরু-Ten Sikh Gurus
শিখধর্মে গুরুকেই সমস্ত জ্ঞানের আধার হিসাবে বিবেচনা করা হয়।ভারতে শিখ ধর্মের প্রবর্তক হলেন গুরু নানক।অর্থাৎ তিনিই হলেন এই ধর্মের প্রথম গুরু এবং এনার পরবর্তী সময়ে আরো নয় জন শিখ গুরুর আবির্ভাব ঘটেছিল। সবমিলিয়ে মোট ১০ জন শিখ গুরু ছিলেন, যাদের কাছে এই ধর্মাবলম্বীরা শিক্ষা গ্রহণ করত এবং তাঁদের দেখানো পথকে অনুসরণ করেই জীবনে মোক্ষ লাভ সম্ভব বলে, তারা মনে করত। শিখ ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ হলো- গ্রন্থ সাহেব, যেটিকেই একাদশ গুরু হিসাবে মানা হয়।

১০জন শিখ গুরু কে কে?

প্রথম শিখগুরু: গুরু নানক

✪ জীবনকাল-এপ্রিল ১৫, ১৪৬৯-সেপ্টেম্বর ২২, ১৫৩৯
✪ গুরুপদ অর্জন করেন-আগস্ট ২০, ১৫০৭
❏ পিতা-মেহেতা কালু ও মাতা-তৃপ্তা
❏ তিনিই হলেন শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা
❏ জন্ম পাঞ্জাবের তালবন্দী গ্রামে
❏ তাঁর সমস্ত বাণী ও কথা "গুরু গ্রন্থসাহেব"-এ বর্ণিত ও সংরক্ষিত আছে

দ্বিতীয় শিখগুরু: অঙ্গদ দেব

✪ জীবনকাল- মার্চ ৩১, ১৫০৪-মার্চ ২৯, ১৫৫২
✪ গুরুপদ অর্জন করেন-সেপ্টেম্বর ৭, ১৫৩৯
❏ তিনি 'গুরুমুখি লিপি' আবিষ্কার করেন
❏ তিনি নানকের বাণী ও উপদেশসমূহ লিপিবদ্ধ করেন

তৃতীয় শিখগুরু: অমর দাস

✪ জীবনকাল-মে ৫, ১৪৭৯-সেপ্টেম্বর ১, ১৫৭৪
✪ গুরুপদ অর্জন করেন-মার্চ ২৬, ১৫৫২
❏ শিখ ধর্মকে ২২টি ভাগে ভাগ করেন
❏ এই ভাগ গুলিকে বলা হয় "মঞ্চিম"
❏ লঙ্গর ব্যবস্থা চালু করেন
❏ সতী ও পর্দা প্রথার বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলন শুরু করেছিলেন

চতুর্থ শিখগুরু: রামদাস

✪ জীবনকাল-সেপ্টেম্বর ২৪, ১৫৩৪-সেপ্টেম্বর ১, ১৫৮১
✪ গুরুপদ অর্জন করেন-সেপ্টেম্বর ১, ১৫৭৪
❏ তার বাবা ছিলেন হরি দাস ও তার মা অনুপ দেবী( দয়া কৌর)
❏ লাহোরের চুনা মান্ডিতে জন্ম গ্রহণ করেন
❏ গুরু রাম দাসের শ্বশুর ছিলেন গুরু অমর দাস, যিনি ছিলেন দশ গুরুর তৃতীয় গুরু।
❏ তিনি হরি মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন
❏ ১৫৭৭ সালে পাঞ্জাবের অমৃতসরে সরোবর খনন করেন

পঞ্চম শিখগুরু: অর্জন দেব

✪ জীবনকাল-এপ্রিল ১৫, ১৫৬৩-মে ৩০, ১৬০৬
✪ গুরুপদ অর্জন করেন-সেপ্টেম্বর ১, ১৫৮১
❏ পিতা-গুরু রামদাস ও মাতা-ভানি
❏ তিনি একাদশ তথা বর্তমান শিখ গুরু গুরু গ্রন্থসাহেবের রচনা সংকলন করেছিলেন
❏ তিনি অমৃতসর শহরের নির্মাণকার্য সম্পূর্ণ করেন
❏ গুরু অর্জন মসন্দ নামে একটি প্রতিনিধি দল গঠন করেছিলেন
❏ তিনি দসভন্দ প্রথাও চালু করেন
❏ দরবার সাহেব স্বর্ণমন্দির নির্মান করেন
❏ এই সময় থেকে গুরুপদ বংশানুক্রমিক হয়
❏ বিদ্রোহী রাজপুত্র খসরুকে সাহায্যের অভিযোগে জাহাঙ্গীর অর্জনদেবকে প্রাণদন্ড দেন

ষষ্ঠ শিখগুরু: হরগোবিন্দ

✪ জীবনকাল-জুন ১৯, ১৫৯৫-ফেব্রুয়ারি ২৮, ১৬৪৪
✪ গুরুপদ অর্জন করেন-মে ২৫, ১৬০৬
❏ পিতা- গুরু অর্জন দেব মাতা- গঙ্গা
❏ মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর দ্বারা তার বাবা, গুরু অর্জনের মৃত্যুদন্ড হবার পর মাত্র ১১ বছর বয়সে তিনি গুরুপদ লাভ করেন
❏ "সাচ্চা বাদশাহ" উপাধী গ্রহণ করেছিলেন
❏ তিনি অকাত তকত গঠন করেন

সপ্তম শিখগুরু: হর রায়

✪ জীবনকাল-জানুয়ারি ১৬, ১৬৩০-অক্টোবর ৬, ১৬৬১
✪ গুরুপদ অর্জন করেন-মার্চ ৩, ১৬৪৪
❏ শাহজাহানের পুত্র দারার পক্ষ অবলম্বন করায় ঔরঙ্গজেব তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়

অষ্টম শিখগুরু: হরকিষন

✪ জীবনকাল-জুলাই ৭, ১৬৫৬-মার্চ ৩০ ১৬৬৪
✪ গুরুপদ অর্জন করেন-অক্টোবর ৬, ১৬৬১

নবম শিখগুরু: তেগবাহাদুর

✪ জীবনকাল-এপ্রিল ১, ১৬২১-নভেম্বর ১১, ১৬৭৫
✪ গুরুপদ অর্জন করেন-মার্চ ২০, ১৬৬৫
❏ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করায় ঔরঙ্গজেব তাকে হত্যার আদেশ দেয়

দশম শিখগুরু: গোবিন্দ সিংহ

✪ জীবনকাল-ডিসেম্বর ২২, ১৬৬৬-অক্টোবর ৭, ১৭০৮
✪ গুরুপদ অর্জন করেন-নভেম্বর ১১, ১৬৭৫
❏ তিনি বর্তমান ভারতের বিহার রাজ্যের পাটনা শহরে জন্মগ্রহণ করেন
❏ তিনি ছিলেন শিখ জাতির নেতা, যোদ্ধা, কবি ও দার্শনিক
❏ "অমৃত পন্থল" পদ্ধতির প্রচলন করেন
❏ ১৬৯৯ সালে "খালসা বাহিনী" গঠন করে শিখদের সামরিক জাতিতে পরিনত করেন
❏ ১৭০৮ সালের ৭ অক্টোবর তিনি শিখধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থ সাহিবকে শিখদের পরবর্তী এবং চিরস্থায়ী গুরু ঘোষণা করেন


File Details::
File Name:১০ জন শিখ গুরুর পরিচয়
File Format: PDF
No. of Pages:2
File Size:514 KB

Click Here to Download

Monday, 13 July 2020

7/13/2020 02:30:00 am

Online Bengali GK Mocktest Part-32 for RRB Group D | NTPC | WBP

Online Bengali GK Mocktest Part-32 for RRB Group D | NTPC | WBP

Online Bengali GK Mocktest Part-32
Online Bengali GK Mocktest
Hello Friends,
পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য Online Bengali GK Mocktest Part-32 পর্বটির আয়োজন করা হল| শুধুমাত্র পড়লেই হবে না, সঙ্গে তার অনুশীলনটাও প্রয়োজন, তাই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াসের মাধ্যমেই আপনাদের সাধারণ জ্ঞানের যাচাই বা মূল্যায়নের ব্যবস্থা করলাম| এখানে Bengali Gk থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর থাকছে, যেগুলি আগত বিভিন্ন চাকরীর পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিশেষ সাহায্য করবে|

             সুতরাং দেরী না করে "Start Quizz" বাটনে ক্লিক করে আজকের ক্যুইজ বা মকটেস্টে অংশগ্রহণ করুন একদম বিনামূল্যে|

Online Bengali GK Mocktest Part-32

Bengali Gk Quiz-32

প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ৩০ সেকেন্ড সময়

Time's Up
score:

Quiz Result

Total Questions:

Attempt:

Correct:

Wrong:

Percentage:


Sunday, 12 July 2020

7/12/2020 03:29:00 pm

মৌলিক অধিকার কয়টি ও কী কী?- Fundamental Rights of Indian Constitution

মৌলিক অধিকার কয়টি ও কী কী?- Fundamental Rights of Indian Constitution 

মৌলিক অধিকার কয়টি ও কী কী?- Fundamental Rights of Indian Constitution
মৌলিক অধিকার-Fundamental Rights

মৌলিক অধিকারের সংজ্ঞা

ভারতীয় সংবিধানের তৃতীয় অংশের [Part-III] অন্তর্গত 12-35 নং ধারায় মৌলিক অধিকার সম্পর্কে বিস্তারিত আলােচনা করা আছে। সাধারণভাবে নাগরিকদের অধিকারসমূহের মধ্যে যেগুলি ব্যক্তিত্ব বিকাশের পক্ষে একান্ত অপরিহার্য সেগুলিকেই মৌলিক অধিকার বা Fundamental Rights বলা যায়। প্রকৃতপক্ষে, মৌলিক অধিকার হল সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও রাষ্ট্র কর্তৃক বাস্তবায়িত দাবি। কিন্তু মৌলিক অধিকারগুলি ব্যক্তিসত্ত্বার পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য অপরিহার্য বলে বিবেচিত হলেও এই অধিকারগুলির কোনােটিই সীমাহীন বা অবাধ নয়। কোনাে ক্ষেত্রে সংবিধান নিজে এবং কিছু ক্ষেত্রে পার্লামেন্টও এই অধিকারগুলির ওপর বাধানিষেধ আরােপ করতে সক্ষম। ভারতীয় সংবিধানে মোট ৬টি মৌলিক অধিকার বর্ণিত রয়েছে। এই অধিকারগুলি হল—সাম্যের অধিকার, স্বাধীনতার অধিকার, শোষণের বিরুদ্ধে অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার, সংস্কৃতি ও শিক্ষাবিষয়ক অধিকার এবং সাংবিধানিক প্রতিবিধানের অধিকার।

মৌলিক অধিকার গুলো কী কী?

১. সাম্যের অধিকার (১৪-১৮ নং ধারা):

❐ কোন নাগরিককে জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ, ভাষা এবং রাজ্যের ভিত্তিতে কোন ভেদাভেদ করা চলবে না।

২. স্বাধীনতার অধিকার (১৯-২২ নং ধারা):

❐ এই অধিকারে সবাইকে স্বাধীনভাবে কথা বলার,ভাষণ দেবার, নিজেদের মত বিনিময়ের স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।
❐ সকল নাগরিক দেশের যেকোনো অংশে স্বাধীন ভাবে আসা যাওয়া করতে পারবে।
❐ দেশের যে কোন অংশে বসবাস করার স্বাধীনতা থাকবে।
❐ স্বাধীনভাবে পয়সা রােজগার এবং খরচ করার অধিকার থাকবে।

৩. শােষণের বিরুদ্ধে অধিকার (২৩-২৪ নং ধারা):

❐ চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন বাচ্চাকে কোন কারখানায়, খনি বা কোন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে লাগানাে যাবে না।
❐ কোন মানুষকে কেনাবেচা অর্থাৎ ক্রীতদাসে পরিণত করা যাবে না।
❐ কোন ব্যক্তিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন কাজ করানো যাবে না।
❐ বিনা পারিশ্রমিকে কাউকে বেগার খাটানাে যাবেনা।
❐ শােষণকে ঘাের অপরাধ মান্য করা হয়।

৪. ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার (২৫-২৮ নং ধারা):

❐ প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম মানা বা পালন করার স্বাধীনতা আছে।
❐ কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে কোন বিশেষ ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য না করা।

৫. সংস্কৃতি ও শিক্ষাগত অধিকার (২৯-৩০ নং ধারা):

❐ ভারতবাসী হিসাবে প্রত্যেককে তাদের নিজ নিজ ভাষায় শিক্ষা লাভের অর্থাৎ পড়া এবং লেখার সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে।

৬. সাংবিধানিক প্রতিবিধানের অধিকার (৩২ নং ধারা):

❐ এই অধিকারে বলা হয়েছে, সরকার অথবা কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির অধিকার ছিনিয়ে নিতে পারবে না। যদি এমন কিছু ঘটে তাহলে আইনের দ্বারস্থ হতে পারেন। কোর্ট উক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার রক্ষা করবে।
❐ আইন ভঙ্গ না করা পর্যন্ত কোন নাগরিক নিজেকে দোষী বলে সাব্যস্ত হবেন না।
❐ কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ সংঘটিত করলে তার বিরুদ্ধে একের বেশি মােকদ্দমা চালানাে যাবে না।

                প্রসঙ্গত, মূল ভারতীয় সংবিধানে সাত প্রকারের মৌলিক অধিকারের উল্লেখ থাকলেও ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে ৪৪তম সংশোধনীর দ্বারা সম্পত্তির অধিকারকে মৌলিক অধিকার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ।

Read More::
7/12/2020 03:30:00 am

বিখ্যাত কার্টুন চরিত্র ও তাদের স্রষ্টা PDF

বিখ্যাত কার্টুন চরিত্র ও তাদের স্রষ্টা PDF -Famous Cartoon Characters & their Creators

বিখ্যাত কার্টুন চরিত্র ও তাদের স্রষ্টা PDF
বিখ্যাত কার্টুন চরিত্র ও তাদের স্রষ্টা
প্রিয় বন্ধুরা,
Bengali GK হিসাবে বিখ্যাত কার্টুন চরিত্র ও তাদের স্রষ্টা PDFটি আপনাদের জন্য আনলাম| কারণ, যে সমস্ত পরীক্ষাতে সাধারণ জ্ঞান থেকে প্রশ্ন আসে, সেখানে এই কমিক চরিত্র ও তাদের স্রষ্টার তালিকাটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ| প্রায়ই এর থেকে প্রশ্ন আসতে দেখা হয়| তাই এই তালিকাটি পড়ে নিন কিংবা নিচে দেওয়া লিংক থেকে পিডিএফটিও ডাউনলোড করে নিতে পারেন|

           RRB Group D, NTPC, WBCS-সহ যেকোনো পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিশেষ সাহায্য করবে এই তালিকাটি| তাই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াসের মাধ্যমে আপনাদের হাতে তুলে দিচ্ছি এই পিডিএফটি বিনামূল্যে|

কার্টুন চরিত্রস্রষ্টা
নন্টে-ফন্টেনারায়ণ দেবনাথ
হাঁদা-ভোঁদানারায়ণ দেবনাথ
বাঁটুল দি গ্রেটনারায়ণ দেবনাথ
মোটু-পাতলুনিরাজ বিক্রম
ছোটা ভিমরাজীব চিলাকা
অগি এন্ড ককরজজিন-ইভস-রেম্বো
সিন চ্যানYoshito Usui
টিনটিনহার্জ (রেঁমি জর্জ)
বাহাদুরআবিদ সুরতি
টম এন্ড জেরীউইলিয়াম হানা ও যোসেফ বারবারা
মিকি মাউস, ডোনাল্ড ডাকওয়াল্ট ডিজনি
চাচা চৌধুরীপ্রাণকুমার শর্মা
টারজানএডগার রাইস বারোজ
ম্যানড্রেক, দ্য ফ্যান্টম, লোথারলি. ফক
ব্যাটম্যানবব কেন, বিল ফিঙ্গার
সুপারম্যানজেরি সিয়েগেল,জো সাস্টার
স্পাইডারম্যানস্ট্যান লি, স্টিভ ডিটকো
হি-ম্যানরজার সুইট
আয়রন ম্যানস্ট্যান লি, স্টিভ ডিটকো, ডন হেক
দ্য হাল্কস্ট্যান লি, জ্যাক কিরবি
থরস্ট্যান লি, জ্যাক কিরবি, ল্যারি লিবার
ক্যাপ্টেন আমেরিকাজো সাইমন, জ্যাক কিরবি
আর্চিবব মন্টানা
ঘোস্ট রাইডাররয় টমাস, মাইক প্লুগ, গ্যারি ফ্রেডরিক
হারকিউলিসস্ট্যান লি, জ্যাক কিরবি
ডেনিস দ্য মেনেসহ্যাঙ্ক কেচাম
ফ্ল্যাশ গর্ডনঅ্যালেক্স রেমন্ড
হেলবয়মাইক মিগনোলা
ক্যাট ওমেনবিল ফিঙ্গার, বব কিন
উলভেরিনলেন ওয়াইন, হার্ব ট্রিমপে
যোগী বিয়ারউইলিয়াম রানা ও জোসেফ বারবারা
গ্যারফিল্ডজিম ডেভিস
পিটার প্যানজে. এম. ব্যারি
সিম্পসনস্ম্যাট গ্রেনিং
সাড স্যাকজর্জ বেকার
ব্লোনডিচিক ইয়ং, ডিন ইয়ং ও জন মার্শাল
কেলভিন অ্যান্ড হবস্বিল ওয়াটারসন
সিনাউইল আইসনার, এস.এম ইগার
দ্য অ্যাভেঞ্জারকেনেথ রবসন
ওয়ান্ডার ওম্যানউইলিয়াম মোলটন মার্সটন
জোরোজনস্টন ম্যাককালি
লুয়ানগ্রেগ ইভান্স
অ্যাসটেরিস্করেনে গেসকিনি ও অলবার্ট উদারজোর
এক্স-মেনস্ট্যান লি, জ্যাক কিরবি


File Details::
File Name:কার্টুন চরিত্র ও তাদের স্রষ্টা
File Format: PDF
No. of Pages:3
File Size: 351 KB

Click Here to Download

Saturday, 11 July 2020

7/11/2020 03:00:00 am

বাংলা প্রতিবেদন রচনা পর্ব-২ | Bengali Report Writing PDF Download

বাংলা প্রতিবেদন রচনা পর্ব-২ | Bengali Report Writing PDF Download

বাংলা প্রতিবেদন রচনা পর্ব-২ | Bengali Report Writing PDF Download
বাংলা প্রতিবেদন রচনা
নমস্কার বন্ধুরা,
পরীক্ষার জন্য বাংলা প্রতিবেদন রচনা পর্ব-২ | Bengali Report Writing PDFটি আপনাদের বিনামূল্যে প্রদান করছি, যেটিতে সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন বিষয়ে লেখা ৫টি প্রতিবেদন থাকছে| যেগুলি Clerkship, ICDS Main, WBP SI Main, WBCS-সহ অন্যান্য পরীক্ষার জন্য বেশ উপযোগী| এর আগেও একটা পর্ব আমরা প্রকাশ করেছি|

         তাই দেরী না করে, নীচ থেকে কয়েকটি নমুনা দেখে নিন এবং প্রয়োজনবোধে ৫টি বাংলা প্রতিবেদন ডাউনলোড করে নিন|

কিছু নমুনা প্রতিবেদন::

বিকল্প পাঠদান হিসাবে অনলাইন ক্লাসরুম
কলকাতা ১০ই জুলাই,২০২০: দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ এবং লকডাউন এর ফলে দু'মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের সমস্ত স্কুল-কলেজ ও নানান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ছাত্র-ছাত্রীদের পঠন-পাঠন থেমে যায়নি। দেশের অধিকাংশ সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি পাঠক্রমকে সচল রাখতে অনলাইন শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করেছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন-ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ-জুম বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অ্যাপের মাধ্যমে চলছে পড়াশোনা। ইতিমধ্যে এই অনলাইন পাঠ্যব্যবস্থায় বেশ কিছু ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক দেখা গিয়েছে।
                       অনলাইন ক্লাসে পড়ুয়ারা বিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে। শিক্ষক শিক্ষিকার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারছে, প্রশ্ন-উত্তর করতে পারছে, বিভিন্ন প্রকার টেস্ট দিতে পারছে। কোন বিষয় বুঝতে না পারলে সেগুলির অফলাইন রেকর্ডিং এর মাধ্যমে পুনরায় দেখে নিতে পারছে। অনলাইন গ্রুপে পড়ুয়ারা নিজের মধ্যে আলোচনা করতে পারছে, কোন প্রশ্ন থাকলে সেগুলি সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে জানাতে পারছে। বেশ কিছু সুবিধা থাকা সত্ত্বেও সমস্যাও নেহাতই কম নয়। সবচাইতে বেশি সমস্যার সম্মুখীন গ্রামাঞ্চলের পড়ুয়ারা, যাদের অধিকাংশের কাছে ইন্টারনেট সংযোগ তো দূরের কথা কোন স্মার্টফোনই নেই।শহরাঞ্চলের পড়ুয়ারা স্মার্ট ফোন পেলেও অনেক সময়ই ইন্টারনেট সংযোগ দুর্বলতার কারনে লাইভ ক্লাসে নানান বাধা-বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। অল্প বয়সের পড়ুয়ারা দীর্ঘসময় ধরে মোবাইল স্ক্রীন-লাপটপ স্ক্রীনে একটানা তাকিয়ে থাকার ফলে চোখের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। দীর্ঘ ক্ষণ ক্লাস করার ফলে অনেক পড়ুয়ারই মাথার যন্ত্রণা ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিচ্ছে ।
                       বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে সবকিছুকে থামিয়ে রাখা গেলেও শিক্ষা কখনো থেমে থাকতে পারে না আর এই সময় অনলাইন ক্লাস একমাত্র বিকল্প ব্যবস্থা। তবে এ বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ও অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে যাতে কোনভাবেই ছাত্র-ছাত্রীর শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি না হয়। ক্লাস গুলিকে নির্দিষ্ট বিশ্রাম অন্তর আয়োজন করতে হবে। শিক্ষা গ্রহণ ছাত্রছাত্রীদের কাছে যাতে সবসময় আনন্দ ও আগ্রহ সঞ্চার এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে


অপসংস্কৃতির অন্ধকারে নিমজ্জিত যুবসমাজ
কলকাতা ১০ই জুলাই,২০২০: যে কোন জাতি ও দেশের সামগ্রিক বিকাশ লাভের শ্রেষ্ঠতম প্রকাশক হলো তার সংস্কৃতি। মানুষের শিক্ষাদীক্ষা, আচার-আচরণের বিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিটি জাতি নিজের সংস্কৃতির বিকাশ ঘটিয়েছে তবে সংস্কৃতি এই চিরপ্রবাহমান স্রোতে বালুচরের ন্যায় আজ স্থান করে নিয়েছে অপসংস্কৃতি। অপসংস্কৃতির দামামা বিশেষ করে যুব সমাজকে কুশিক্ষার পঙ্কিল সলিলে নিমজ্জিত করেছে।
                 অপসংস্কৃতি শব্দটি দ্বারা কুরুচিকর নিম্নমানের সংস্কৃতিকে চিহ্নিত করা হয়। কোন জাতি, ভাষা, আচার-আচরণে, শিল্পে-সাহিত্যে, সঙ্গীত-বিনোদনে, পোশাক-আশাকে, জ্ঞান-বিজ্ঞানে যখন নিম্নমানের পরিচয় পাওয়া যায় তখন তাকে অপসংস্কৃতি বলা চলে। বর্তমান যুব সমাজের মধ্যে এই অপসংস্কৃতি একপ্রকার আলোকময় দুনিয়ায় পরিণত হয়েছে। সংস্কৃতি ও তার ঐতিহ্যকে বিকৃত করে নিজেকে প্রকাশ করার এক অদ্ভুত নেশায় মত্ত তারা। যুব সমাজ সংস্কৃতির ধারক ও বাহক কিন্তু বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নতিতে অপসংস্কৃতি এক লহমায় ছড়িয়ে যাচ্ছে কোনায় কোনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে একশ্রেনীর বিকৃত মনোবাভাপন্ন মানুষ জোর কদমে প্রচার চালাচ্ছে এই অপসংস্কৃতির। নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে সেই গুলিকেই আপন করে নিচ্ছে যুবসমাজ। বর্তমান যুবসমাজ "পঁচিশে বৈশাখ" এর তুলনায় নিউ ইয়ার বা খ্রীষ্টমাস পালনে বেশী স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। অপর সংস্কৃতিকে আপন করে নেওয়ার মাহাত্ম্য হয়তো আমাদের আছে, কিন্তু তা কখনোই নিজের সংস্কৃতিকে জলাঞ্জলি দিয়ে বা বিকৃত করে নয়।
                দেশের যুবশক্তিকে অপসংস্কৃতির প্রভাব থেকে মুক্ত করে সমাজের সার্বিক উন্নতি সাধনে আগ্রহী করে তুলতে হবে। শুধু নীতিকথা প্রচার করে নয় সরকারের পক্ষ থেকে কুরুচিকর অনুষ্ঠান সম্প্রচারের উপর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে, অশ্লীল ও বিকৃত বিনোদনকে কঠোরভাবে দমন করতে হবে। তবেই অপসংস্কৃতি নামক সামাজিক অভিশাপটি চিরতরে নির্মূল করা সম্ভব হবে এবং ভারতবর্ষ পুনরায় নিজের সাবেক সংস্কৃতিমান সত্ত্বা নিয়ে জাগ্রত হতে পারবে।


সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ও যুবসমাজ
কলকাতা ১০ই জুলাই,২০২০: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নতির সাথে দ্রুত এগিয়ে চলেছে মানবসভ্যতা। একবিংশ শতাব্দীর উন্নত সমাজ ব্যবস্থায় বিজ্ঞানের নবতম সংযোজন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং-এর মাধ্যমে খুব সহজেই পৃথিবীর বহু অজানা বিষয় কয়েক মুহূর্তেই মানুষের হাতের মুঠোয় চলে আসছে। সময়ের সাথে সাথে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, ইন্সট্রাগ্রাম, টুইটার বর্তমান সময়ে এক অতিপরিচিত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। এক্ষেত্রে অতিসক্রিয়তায় দেখা যাচ্ছে বর্তমান যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে, তারা তাদের অনেকটা সময় অতিবাহিত করছে এইসব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে।
                       প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আধুনিক বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার আজকের যুবসমাজকে অপরাধপ্রবণ করে তুলছে। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং কে  "সব পেয়েছির দেশ" হিসাবে  ব্যবহার করতে গিয়ে তাদের অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সন্ত্রাসবাদীরা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য এই মাধ্যমকে ব্যবহার করছে। দেশের যুবসমাজ খুব সহজেই তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ছে। সমাজবিরোধীরা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর মাধ্যমে অপরাধমূলক কাজকর্ম চালাচ্ছে। কখনো ব্যাংকের গ্রাহকের গোপন কোড জেনে টাকা আত্মসাৎ করেছে। যুবসমাজ মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে ঠকানো, কাউকে কলঙ্কিত করতে মিথ্যা প্রচার হিসেবে এই মাধ্যম ব্যবহার করছে। কখনো বন্ধুত্ব করে তাদের সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করছে,অশ্লীল ছবি পর্যন্ত ব্যবহার করছে। সত্যতা বিচার না করেই বিভিন্ন রকম তথ্য পোস্ট বা শেয়ার করছে, যার থেকে বিভেদ সৃষ্টি হচ্ছে। দেশের যুবসমাজ এই সাইট ব্যবহার করে বাস্তব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কল্পলোকের বাসিন্দা হয়ে উঠছে। সাময়িক তৃপ্তির আকাঙ্খায় মানবিকবোধ জলাঞ্জলী দিয়ে অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ছে।
                      দেশের উন্নতি ও সার্বিক বিকাশের যুব সমাজের উপর নির্ভরশীল। তাই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং-এর ভয়ানক জালে না জড়িয়ে সেটিকে সমাজের হিতকর কাজে ব্যবহারে উদ্যোগী হতে হবে। সরকারকে সাইবারক্রাইম রোধে কঠোর আইন প্রনয়ন করতে হবে। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং-এর সুফল যাতে মানুষ ব্যবহার করতে পারে তার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। যুবসমাজকে সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে সমাজের প্রতি আরও দায়িত্বশীল হতে অনুপ্রানিত করতে হবে। মানবিকবোধ জাগ্রত করে, সুস্থ মানসিক স্থিতি তৈরী করেই যুবসমাজের মধ্যে থেকে এই অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনা সম্ভব।
এইভাবে ৫টি প্রতিবেদন পিডিএফে দেওয়া আছে

File Details::
File Name:প্রতিবেদন রচনা পর্ব-২
File Format: PDF
No. of Pages:4
File Size: 322 KB

Click Here to Download

Friday, 10 July 2020

7/10/2020 03:00:00 am

Bengali to English Translation PDF Book | বাংলা থেকে ইংরাজী অনুবাদ

Bengali to English Translation PDF Book | বাংলা থেকে ইংরাজী অনুবাদ

Bengali to English Translation PDF Book | বাংলা থেকে ইংরাজী অনুবাদ
Bengali to English Translation
নমস্কার বন্ধুরা,
আজ Bengali to English Translation PDF Book-এর পর্ব-২ শেয়ার করছি, যেটিতে মোট ১০টি বাংলা অনুচ্ছেদের ইংরাজী অনুবাদ দেওয়া হয়েছে| Clerkship, ICDSসহ বিভিন্ন চাকরীর পরীক্ষাতে Bengali to English Passage Translation করতে বলা হয়| তাই আমরা কয়েকটি নমুনা নিয়ে হাজির হলাম, যেগুলি আপনার প্রস্তুতিতে বিশেষ সাহায্য করবে|

          অনুবাদ করতে গেলে English Grammar বিশেষত Tense Rules বা Tense Formula গুলি সম্পর্কে ভালোরকম জ্ঞান থাকা আবশ্যক| তবেই আপনি একদম দক্ষতার সাথে ইহা সম্পন্ন করতে পারবেন| সবথেকে বড় কথা যত আপনি এগুলি প্র্যাকটিস করবেন ততই পারদর্শী হয়ে উঠবেন|

         এর জন্য আমরা সংবাদপত্র বা ম্যাগাজিন সহ যেকোনো বইয়ের অনুচ্ছেদ গুলি Translate করার চেষ্টা করুন এবং নমুনা কিছু অনুবাদ দেখতে থাকুন| কারণ যখন আপনি বাক্যের মধ্যে Idiom-Phrase  ইত্যাদী ব্যবহার করতে শিখবেন তখন আরো উন্নত হবে এই অনুবাদ|


File Details::
File Name:Bengali to English Passage Translation 2
File Format: PDF
No. of Pages:4
File Size:1.10 MB

Click Here to Download