বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০১, ২০২৬

ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ তালিকা PDF | Biosphere Reserves in India

ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ তালিকা PDF | Biosphere Reserves in India

ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ তালিকা PDF | 18 Biosphere Reserves of India list in Bengali for WBCS
স্ট্যাটিক জিকে: ভারতের সমস্ত বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ও তাদের অবস্থান

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

সরকারি চাকরির প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা (EVS)-এর একটি দারুণ স্কোরিং টপিক হলো 'ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ' (Biosphere Reserves in India)। ডব্লিউবিসিএস (WBCS), SSC বা পুলিশের পরীক্ষায় হামেশাই প্রশ্ন আসে, "নীলগিরি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ কোন রাজ্যে অবস্থিত?" বা "ভারতের সবচেয়ে বড় বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ কোনটি?"। আপনাদের পড়ার সুবিধার জন্য বইয়ের খটমটে ভাষা বাদ দিয়ে ভারতের মোট ১৮টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, সাল ও অবস্থান নিচে খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেওয়া হলো। অফলাইনে রিভিশন দেওয়ার জন্য একদম ফ্রি PDF নোটসও থাকছে!

ভূমিকা

Hello Aspirants,

চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন? ভারতের ভূগোল বা জীববৈচিত্র্য (Biodiversity) নিয়ে পড়তে বসলে 'বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ' শব্দটা বারবার চোখের সামনে আসে। এটা স্ট্যাটিক জিকে (Static GK) পার্টের এমন একটা টপিক, যেখান থেকে অন্তত এক নম্বর আপনি কনফার্ম কমন পেতে পারেন।

পুরো ভারতবর্ষে সব মিলিয়ে মোট ১৮টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ রয়েছে। এগুলোতে বিপন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণী সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার কাজ চলে। আজ আমরা সেই ১৮টির একদম আপডেটেড ও নির্ভুল একটি তালিকা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি। চলুন, ছকের সাহায্যে বিষয়গুলো একবার ঝালিয়ে নেওয়া যাক।

বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ (Biosphere Reserve) জিনিসটা আসলে কী?

খুব সোজা ভাষায় বলতে গেলে, বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ হলো প্রকৃতির এমন একটা বিশাল সংরক্ষিত বনাঞ্চল বা এলাকা (Protected Area), যেখানে শুধু বাঘ-ভাল্লুক বা গাছপালাই নয়, বরং ওই জঙ্গলে বসবাসকারী স্থানীয় আদিবাসী ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো মানুষ এবং প্রকৃতি যাতে একে অপরের ক্ষতি না করে একসাথে মিলেমিশে টিকতে পারে তার ব্যবস্থা করা। মাথায় রাখবেন, একটা বড় বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের ভেতরে বেশ কয়েকটা ন্যাশনাল পার্ক (National Park) বা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারিও থাকতে পারে।

ভারতের ১৮টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের তালিকা

নিচে ভারতের সমস্ত বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ, সেগুলো কত সালে তৈরি হয়েছিল এবং ঠিক কোন রাজ্যে অবস্থিত, তার সম্পূর্ণ তালিকা দেওয়া হলো:

লাল রঙে হাইলাইট করা নামগুলো বিগত বছরের বিভিন্ন পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশিবার জানতে চাওয়া হয়েছে।
ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ সমূহের সম্পূর্ণ তালিকা
বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের নাম তৈরির সাল অবস্থান (কোন রাজ্যে)
নীলগিরি (Nilgiri) ১৯৮৬ কেরালা, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু
নন্দাদেবী (Nanda Devi) ১৯৮৮ উত্তরাখণ্ড
নকরেক (Nokrek) ১৯৮৮ মেঘালয়
গ্রেট নিকোবর (Great Nicobar) ১৯৮৯ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ
মান্নার উপসাগর (Gulf of Mannar) ১৯৮৯ তামিলনাড়ু
মানস (Manas) ১৯৮৯ আসাম
সুন্দরবন (Sundarban) ১৯৮৯ পশ্চিমবঙ্গ
সিমলিপাল (Simlipal) ১৯৯৪ ওড়িশা
ডিব্রু-সাইখোয়া (Dibru-Saikhowa) ১৯৯৭ আসাম
ডিহং-ডিবং (Dihang-Dibang) ১৯৯৮ অরুণাচল প্রদেশ
পাঁচমারি (Pachmarhi) ১৯৯৯ মধ্যপ্রদেশ
কাঞ্চনজঙ্ঘা (Khangchendzonga) ২০০০ সিকিম
অগস্ত্যমালাই (Agasthyamalai) ২০০১ কেরালা, তামিলনাড়ু
আচানকঅমর-অমরকন্টক (Achanakmar-Amarkantak) ২০০৫ মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়
কচ্ছের রন (Kachchh) ২০০৮ গুজরাট
কোল্ড ডেজার্ট (Cold Desert) ২০০৯ হিমাচল প্রদেশ
সেশাচালাম হিলস (Seshachalam Hills) ২০১০ অন্ধ্রপ্রদেশ
পান্না (Panna) ২০১১ মধ্যপ্রদেশ

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):

  • ভারতের প্রথম: ভারতের একদম প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ হলো নীলগিরি, যা ১৯৮৬ সালে তৈরি হয়। মজার ব্যাপার হলো, এটি তিনটি রাজ্য (তামিলনাড়ু, কেরালা ও কর্ণাটক) জুড়ে ছড়ানো।
  • সবচেয়ে বড় ও ছোট: সাইজের দিক থেকে ভারতের বৃহত্তম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ হলো গুজরাটের কচ্ছের রন (Kachchh)। অন্যদিকে, সবচেয়ে ছোট রিজার্ভ হলো আসামের ডিব্রু-সাইখোয়া।
  • UNESCO-এর তকমা: ভারতের এই ১৮টি রিজার্ভের মধ্যে ১২টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ আন্তর্জাতিকভাবে ইউনেস্কো-এর 'Man and the Biosphere (MAB)' প্রোগ্রামের স্বীকৃতি পেয়েছে।
  • সবচেয়ে নতুন: মধ্যপ্রদেশের পান্না (Panna) বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভটি ভারতের সবচেয়ে নতুন (২০১১ সালে তৈরি) এবং ২০২০ সালে এটি ইউনেস্কোর তালিকায় সবার শেষে যুক্ত হয়েছে।
  • বাংলার গর্ব সুন্দরবন: আমাদের পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন ১৯৮৯ সালে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের স্বীকৃতি পায়। এটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ অরণ্যের জন্য বিশ্ববিখ্যাত।
পরিবেশবিদ্যা ও ভূগোলের এই অত্যন্ত দরকারি স্টাডি মেটেরিয়ালটি নিচে পিডিএফ ফরম্যাটে দেওয়া হলো, যাতে আপনারা অফলাইনে বা প্রিন্ট করেও পড়া চালিয়ে যেতে পারেন।

ফাইল ডিটেইলস

File Details:

  • File Name: ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ সমূহের তালিকা
  • File Format: PDF
  • No. of Pages: 2
  • File Size: 196 KB

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

বর্তমানে ভারতে মোট কতগুলি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ আছে?
বর্তমানে ভারতে সব মিলিয়ে মোট ১৮টি (18) বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ রয়েছে।
ভারতের প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ কোনটি?
ভারতের একদম প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভটির নাম হলো 'নীলগিরি' (Nilgiri), যা ১৯৮৬ সালে স্থাপিত হয়। এটি কেরালা, কর্ণাটক এবং তামিলনাড়ু রাজ্য জুড়ে বিস্তৃত।
সুন্দরবন কত সালে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের তকমা পায়?
আমাদের পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন ১৯৮৯ সালে ভারত সরকার কর্তৃক বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের তকমা বা স্বীকৃতি লাভ করে।
ভারতের বৃহত্তম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ কোনটি?
আয়তনের দিক থেকে ভারতের সবচেয়ে বড় বা বৃহত্তম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ হলো গুজরাটের 'কচ্ছের রন' (Kachchh Biosphere Reserve)।
ইউনেস্কো (UNESCO) দ্বারা স্বীকৃত ভারতের কয়টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ রয়েছে?
ভারতের মোট ১৮টির মধ্যে ১২টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ আন্তর্জাতিকভাবে ইউনেস্কো-এর 'Man and the Biosphere (MAB)' প্রোগ্রামের আওতাভুক্ত বা স্বীকৃত।

💡 স্ট্যাটিক জিকে (Static GK) এবং ভূগোলের এই দরকারি নোটসটি আপনাদের উপকারে আসলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। কোনো বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে লিখে জানাতে পারেন!

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার সিলেবাস PDF | WB Gram Panchayat Syllabus Bengali PDF

পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার সিলেবাস PDF ও নতুন প্যাটার্ন ২০২৬ | WB Gram Panchayat Syllabus

পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার সিলেবাস PDF ও নম্বর বিভাজন ২০২৬ - WBPRD Gram Panchayat Syllabus and Exam Pattern in Bengali
পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন (২০২৬)

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের (WBPRD) অধীনে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মী, সহায়ক, নির্মাণ সহায়ক এবং এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের কাছে একটা বিরাট সুযোগ। আর যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাজিমাত করার প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো— সেই পরীক্ষার সিলেবাস (WB Panchayat Exam Syllabus) এবং নম্বর বিভাজন (Exam Pattern) সম্পর্কে একদম পরিষ্কার ধারণা রাখা। আপনাদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে নিচে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের সমস্ত পদের অফিশিয়াল সিলেবাসের PDF লিংক এবং লেটেস্ট প্যাটার্ন শেয়ার করা হলো।

ভূমিকা

Hello Aspirants,

সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন? তাহলে নিশ্চয়ই জানেন পঞ্চায়েত দপ্তরে চাকরি পাওয়াটা এখন অনেক প্রার্থীরই স্বপ্ন। কিন্তু সঠিক গাইডেন্স আর সিলেবাস না জানার কারণে অনেকেই পিছিয়ে পড়েন। কোন বিষয়ে কত নম্বর আছে, নেগেটিভ মার্কিং আছে কিনা, আর কোন কোন টপিকগুলো বেশি করে পড়তে হবে— এসব না জেনে পরীক্ষা দিতে যাওয়া মানে অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার সমান।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা WB Gram Panchayat Exam Pattern 2026 নিয়ে একদম খুঁটিনাটি আলোচনা করেছি। সেই সঙ্গে নিচে দেওয়া স্পেশাল লিংকগুলো থেকে আপনারা আপনাদের কাঙ্ক্ষিত পদের অফিশিয়াল সিলেবাস পিডিএফ আকারে খুব সহজেই ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার প্যাটার্ন ২০২৬

পঞ্চায়েত কর্মী ও সহায়ক পদের ক্ষেত্রে সিলেকশন প্রসেস মূলত দুটি ধাপে হয়। প্রথম ধাপে ৮৫ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা (Written Exam) এবং সেটি পাস করলে দ্বিতীয় ধাপে ১৫ নম্বরের ইন্টারভিউ (Interview) নেওয়া হয়। লিখিত পরীক্ষায় মূলত নিচের বিষয়গুলি থেকে প্রশ্ন আসে:

সারণী: পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত লিখিত পরীক্ষার নম্বর বিভাজন ২০২৬
বিষয়ের নাম (Subjects) মোট প্রশ্ন (Questions) নম্বর (Marks)
ইংরেজি (English) ২৫ ২৫
বাংলা (Bengali) ২৫ ২৫
পাটিগণিত (Arithmetic) ২৫ ২৫
সাধারণ জ্ঞান (General Knowledge) ১০ ১০
মোট লিখিত পরীক্ষা ৮৫ ৮৫

গ্রাম পঞ্চায়েত সিলেবাস PDF ডাউনলোড

পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত দপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত ২০২৬ সালের আপডেটেড অফিশিয়াল সিলেবাস গুলি নিম্নে দেওয়া হলো। আপনার আবেদন করা পদের ডানদিকের বাটনে ক্লিক করলেই পিডিএফ ডাউনলোড হয়ে যাবে:

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত লিখিত পরীক্ষা কত নম্বরের হয়?
সাধারণত গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মী এবং সহায়ক পদের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষাটি ৮৫ নম্বরের হয়ে থাকে। লিখিত পরীক্ষায় কোয়ালিফাই করলে এরপর ১৫ নম্বরের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়。
গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষায় কোন কোন বিষয় থেকে প্রশ্ন আসে?
এই পরীক্ষায় মূলত ইংরেজি, বাংলা, পাটিগণিত এবং সাধারণ জ্ঞান (GK) থেকে প্রশ্ন আসে। কোন বিষয়ে কত নম্বর থাকে, তার বিস্তারিত নম্বর বিভাজন উপরের টেবিলে এবং অফিশিয়াল সিলেবাসে দেওয়া আছে。
পঞ্চায়েত বিগত বছরের প্রশ্নপত্র কোথা থেকে ডাউনলোড করব?
আপনার প্রস্তুতির সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটের "আরো দেখুন" সেকশনে বিগত বছরের প্রশ্নপত্রের লিঙ্ক দেওয়া আছে। সেখানে ক্লিক করে আপনি খুব সহজেই Previous Year Question Paper-এর PDF ডাউনলোড করতে পারবেন।

💡 পঞ্চায়েত পরীক্ষার প্রস্তুতির এই অত্যন্ত দরকারি সিলেবাস ও প্যাটার্নটি আপনাদের উপকারে আসলে অবশ্যই চাকরিপ্রার্থী বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন!

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কিং পরিভাষা সমূহের তালিকা PDF | Important Banking Terms In Bengali

ব্যাঙ্কিং এর গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা বা টার্ম সমূহের তালিকা PDF | Important Banking Terms

ব্যাঙ্কিং এর গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা সমূহের তালিকা ও সম্পূর্ণ নাম - Important Banking Terms and Full Forms for Competitive Exams
ইকোনমিক্স জিকে: ব্যাঙ্কিং এর গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ও তাদের সহজ অর্থ

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

সরকারি চাকরির পরীক্ষা (যেমন- IBPS, SBI, WBCS, বা SSC) হোক কিংবা রোজকার জীবন— অর্থনীতি বা Banking Awareness সম্পর্কে ধারণা থাকা এখন সবার জন্যই খুব জরুরি। পরীক্ষায় হামেশাই প্রশ্ন আসে, "NPA-এর ফুল ফর্ম কী?", "CIBIL স্কোর কেন দেখা হয়?" বা "SWIFT কোড কোথায় লাগে?"। আপনাদের পড়ার সুবিধার জন্য নিচে ব্যাঙ্কিং জগতের সব দরকারি টার্ম (পূর্ণরূপ বা ফুল ফর্ম সমেত) আর সেগুলোর একদম জলের মতো সহজ মানে ছকের সাহায্যে দেওয়া হলো। সাথে থাকছে রিভিশন দেওয়ার জন্য একটি PDF নোটস।

ভূমিকা

Hello Aspirants,

চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে 'ইকোনমিক্স' বা অর্থনীতির পার্টটা অনেকের কাছেই বেশ বোরিং আর কঠিন লাগে। বিশেষ করে ব্যাঙ্কিং ও ফাইন্যান্সের খটমটে শব্দগুলো দেখলে মাথা গুলিয়ে যায়। কিন্তু বিগত কয়েক বছরের প্রশ্নপত্র ঘাঁটলে দেখবেন, এই 'ব্যাঙ্কিং পরিভাষা ও তাদের সম্পূর্ণ নাম' (Banking Terms & Full Forms) থেকে প্রতি বছরই ২-৩ নম্বর নিশ্চিত কমন আসে।

শুধু পরীক্ষা পাস করার জন্যই নয়, লোন নেওয়া, শেয়ার বাজারে টাকা খাটানো বা ডিজিটাল লেনদেন— সব ক্ষেত্রেই এই শব্দগুলো আমাদের রোজকার জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে। তাই বইয়ের কঠিন ভাষা বাদ দিয়ে, একদম আড্ডার ছলে আর খুব সোজা কথায় ব্যাঙ্কিং টার্মগুলোর মানে নিচে বুঝিয়ে দেওয়া হলো।

ব্যাঙ্কিং পরিভাষা বা টার্মস আসলে কী?

খুব সোজা ভাষায় বলতে গেলে, ব্যাঙ্ক এবং ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানিগুলো তাদের রোজকার কাজকর্ম, টাকার লেনদেন বা নিয়মকানুন বোঝাতে যেসব স্পেশাল শব্দ ব্যবহার করে, সেগুলোকেই ব্যাঙ্কিং পরিভাষা (Banking Terminology) বলা হয়। ধরুন, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অন্য ব্যাঙ্কগুলোকে যে সুদে ধার দেয়, সেটাকে সাধারণ ভাষায় 'সুদ' না বলে বলা হয় 'রেপো রেট' (Repo Rate)। এগুলো মূলত ব্যাঙ্কিং সেক্টরের নিজস্ব ভাষা।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কিং পরিভাষা ও তাদের অর্থ

নিচে ভারতের ব্যাঙ্কিং সেক্টরে ব্যবহার হওয়া সবচেয়ে দরকারি টার্মস, তাদের সম্পূর্ণ নাম (Full Form) এবং আমাদের রোজকার জীবনের সাথে মিলিয়ে সহজ মানে দেওয়া হলো:

লাল রঙে হাইলাইট করা শব্দগুলো বিগত বছরের বিভিন্ন পরীক্ষায় (WBCS, Bank PO, SSC) সবচেয়ে বেশিবার জানতে চাওয়া হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কিং পরিভাষা সমূহের তালিকা
ব্যাঙ্কিং পরিভাষা (Term & Full Form) সহজ অর্থ বা ব্যাখ্যা (Meaning in Bengali)
ATM (Automated Teller Machine) ব্যাঙ্কে লাইন না দিয়ে যে মেশিন থেকে আমরা সহজেই নগদ টাকা তোলা বা ব্যালেন্স চেক করার মতো কাজগুলো করি।
KYC (Know Your Customer) গ্রাহক আসলে কে এবং তার ঠিকানাই বা কোথায়, সেটা যাচাই করার জন্য ব্যাঙ্কের একটা খুব জরুরি আইনি নিয়ম।
eKYC (Electronic Know Your Customer) কাগজপত্রের ঝামেলা এড়িয়ে আধার কার্ডের সাহায্যে অনলাইনে বা ডিজিটালি গ্রাহকের পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি।
Repo Rate (Repurchase Rate) আমাদের দেশের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) যখন অন্য সাধারণ ব্যাঙ্কগুলোকে অল্প সময়ের জন্য টাকা ধার দেয়, তখন যে সুদের হারটা নেয়।
Reverse Repo Rate এর ঠিক উল্টোটা! অর্থাৎ, RBI যখন অন্য ব্যাঙ্কগুলোর কাছ থেকে টাকা ধার নেয়, তখন তাদের যে সুদটা দেয়।
CRR (Cash Reserve Ratio) গ্রাহকদের জমা করা মোট টাকার একটা নির্দিষ্ট অংশ প্রত্যেকটা ব্যাঙ্ককে বাধ্যতামূলকভাবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে নগদ হিসেবে জমা রাখতে হয়। এটাই হলো CRR।
SLR (Statutory Liquidity Ratio) ব্যাঙ্কগুলোকে তাদের কাছে থাকা মোট টাকার একটা নির্দিষ্ট অংশ সবসময় নগদ, সোনা বা সরকারি বন্ড হিসেবে নিজেদের কাছেই গচ্ছিত রাখতে হয়। একেই SLR বলে।
NDTL (Net Demand and Time Liabilities) একটা ব্যাঙ্কের কাছে সাধারণ মানুষের জমা রাখা মোট টাকা (সেভিংস, কারেন্ট, ফিক্সড ডিপোজিট সব মিলিয়ে)। এর ওপরেই CRR ও SLR হিসাব করা হয়।
NPA (Non-Performing Asset) টানা ৩ মাস বা ৯০ দিন ধরে কোনো লোনের কিস্তি (EMI) বা সুদ জমা না পড়লে, সেই লোনটাকে ব্যাঙ্ক NPA বা 'অনাদায়ী ঋণ' বলে ঘোষণা করে দেয়।
IFSC (Indian Financial System Code) অনলাইনে দেশের যেকোনো ব্যাঙ্কে টাকা পাঠানোর সময় (NEFT/RTGS) শাখাটিকে চেনার জন্য ১১ অক্ষরের যে কোডটা লাগে।
MICR (Magnetic Ink Character Recognition) চেক তাড়াতাড়ি পাস করানোর জন্য চেকবইয়ের নিচের দিকে থাকা ৯ ডিজিটের একটা স্পেশাল কোড, যা দিয়ে ব্যাঙ্কের শাখা চেনা যায়।
SWIFT Code (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) দেশের বাইরে বা বিদেশে টাকা পাঠানোর জন্য ৮ বা ১১ অক্ষরের যে ইন্টারন্যাশনাল কোডটা দরকার হয়।
NEFT (National Electronic Funds Transfer) দেশের এক ব্যাঙ্ক থেকে অন্য ব্যাঙ্কে অনলাইনে টাকা পাঠানোর একটা পরিচিত সিস্টেম (এতে টাকা পাঠানোর কোনো ন্যূনতম লিমিট নেই)।
RTGS (Real Time Gross Settlement) বড় অঙ্কের টাকা সাথে সাথে অন্য অ্যাকাউন্টে পাঠানোর সিস্টেম (এর মাধ্যমে অন্তত ২ লক্ষ টাকা পাঠাতেই হয়)।
IMPS (Immediate Payment Service) ছুটির দিন হোক বা রাত বারোটা, যেকোনো সময় সাথে সাথে টাকা পাঠানোর একটা দারুণ সার্ভিস (24x7)।
UPI (Unified Payments Interface) ফোনপে বা গুগল-পের মতো অ্যাপ ব্যবহার করে এক ব্যাঙ্ক থেকে অন্য ব্যাঙ্কে এক ক্লিকেই টাকা পাঠানোর সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম।
NPCI (National Payments Corporation of India) ভারতে এই যে এতো ইউপিআই (UPI) বা রুপে কার্ড (RuPay) চলছে, তার পুরো সিস্টেমটা যে সংস্থা মেইনটেইন করে।
CBS (Core Banking Solution) ব্যাঙ্কের সমস্ত শাখার মধ্যে জুড়ে থাকা এমন একটা ইন্টারনেট ব্যবস্থা, যার ফলে আপনি যেকোনো শাখা থেকে আপনার নিজের অ্যাকাউন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন।
CASA (Current Account Savings Account) ব্যাঙ্কের কাছে মোট যে টাকা জমা আছে, তার মধ্যে কতটা কারেন্ট আর সেভিংস অ্যাকাউন্টের টাকা। এই অনুপাত বেশি হলে ব্যাঙ্কের লাভ, কারণ এতে তাদের কম সুদ দিতে হয়।
CIBIL (Credit Information Bureau (India) Limited) আপনি আগে ঠিকমতো লোন শোধ করেছেন কিনা, তার রেকর্ড দেখে এই কোম্পানি আপনাকে একটা স্কোর দেয়। এই স্কোর ভালো না হলে ব্যাঙ্ক লোন দিতে চায় না।
MCLR (Marginal Cost of Funds based Lending Rate) ব্যাঙ্কের লোন দেওয়ার জন্য ঠিক করে রাখা সবচেয়ে কম সুদের হার। এর নিচে ব্যাঙ্ক কাউকে ঋণ দিতে পারে না।
NABARD (National Bank for Agriculture and Rural Development) চাষবাস, ছোট শিল্প আর গ্রামের উন্নতির জন্য ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান।
SEBI (Securities and Exchange Board of India) ভারতের শেয়ার বাজার (Stock Market) এবং মিউচুয়াল ফান্ডগুলোতে যাতে কোনো জালিয়াতি না হয়, তা দেখার জন্য সরকারের বানানো শীর্ষ সংস্থা।
SIDBI (Small Industries Development Bank of India) ছোট ও মাঝারি ব্যবসার (MSME) উন্নতির জন্য আর্থিক সাহায্য করার দিক থেকে ভারতের প্রধান ব্যাঙ্ক।
FDI (Foreign Direct Investment) যখন বিদেশের কোনো কোম্পানি বা মানুষ আমাদের দেশের কোনো ব্যবসায় সরাসরি টাকা ইনভেস্ট করে।
PMJDY (Pradhan Mantri Jan Dhan Yojana) দেশের সব গরিব মানুষকে ব্যাঙ্কিং পরিষেবার আওতায় আনার জন্য চালু করা জিরো ব্যালেন্স অ্যাকাউন্ট খোলার একটা মেগা সরকারি প্রকল্প।
APY (Atal Pension Yojana) যাঁদের কোনো সরকারি চাকরি নেই, তাঁদের ৬০ বছর বয়সের পর একটা নির্দিষ্ট পেনশন দেওয়ার দারুণ একটা সরকারি স্কিম।
Bank Ombudsman ব্যাঙ্কের সার্ভিসে আপনি যদি খুশি না হন বা ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে কোনো কমপ্লেন থাকে, সেটা সমাধান করার জন্য আরবিআই-এর ঠিক করে দেওয়া অফিসার (ব্যাঙ্কিং লোকপাল)।
CTS (Cheque Truncation System) কাগজের চেক এক শাখা থেকে অন্য শাখায় হাতে করে না পাঠিয়ে, তার ডিজিটাল ছবি পাঠিয়ে দ্রুত চেক ক্লিয়ার করার আধুনিক নিয়ম।
Collateral লোন নেওয়ার সময় গ্যারান্টি হিসেবে ব্যাঙ্কের কাছে যে সম্পদটা বন্ধক রাখা হয় (যেমন- জমির দলিল, সোনা)।
APR (Annual Percentage Rate) লোন নেওয়ার সময় আসল সুদের সাথে আরো যেসব লুক্কায়িত চার্জ থাকে, সব মিলিয়ে বছরে আপনার মোট কত খরচ পড়ছে, তার হিসাব।
ECS (Electronic Clearing Service) অফিসের স্যালারি ঢোকা বা প্রতি মাসে অ্যাকাউন্টে থেকে নিজে নিজেই ইএমআই (EMI) কেটে নেওয়ার ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা।
Overdraft (OD) অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকলেও একটা নির্দিষ্ট লিমিট অবধি টাকা তোলার যে বিশেষ সুবিধা ব্যাঙ্ক দেয় (সাধারণত কারেন্ট অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়)।
Microfinance খুব সাধারণ বা অল্প আয়ের মানুষদের নিজেদের পায়ে দাঁড় করানোর জন্য ছোট অঙ্কের লোন দেওয়ার আর্থিক পরিষেবা।
Bank Rate কোনো রকম জিনিস বন্ধক না রেখেই আরবিআই যখন বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলোকে লম্বা সময়ের জন্য ধার দেয়, তখনকার সুদের হার।
Capital Gain জমি, বাড়ি বা শেয়ার কিনে সেটা বেশিতে দামে বেচে যে লাভটা আপনার পকেটে ঢোকে।
Liquidity আপনার কাছে থাকা কোনো সম্পদ (যেমন সোনা বা বন্ড) কত তাড়াতাড়ি আর সহজে বেচে দিয়ে হাতে ক্যাশ বা নগদ টাকা পেতে পারেন, তার ক্ষমতা।
Floating Rate Interest লোনের যে সুদের হারটা ফিক্সড থাকে না, বরং বাজারের অবস্থা অনুযায়ী মাঝে মাঝেই বাড়ে বা কমে।
Plastic Money পকেটে নগদ টাকা না নিয়ে ঘুরে আমরা যে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে শপিং করি, সেগুলোকেই প্লাস্টিক মানি বলে।
Demat Account (Dematerialized Account) শেয়ার বাজারে ট্রেডিং করার জন্য কাগজের শেয়ারের বদলে ডিজিটাল ফর্মে শেয়ার জমা রাখার স্পেশাল অ্যাকাউন্ট।
Monetary Policy বাজারে জিনিসপত্রের দাম যাতে আকাশছোঁয়া না হয়ে যায় আর টাকার জোগান ঠিক থাকে, সেটা দেখার জন্য রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বানানো বিভিন্ন নিয়ম বা পলিসি।
Basis Point (BPS) সুদের হার কতটা বাড়লো বা কমলো, সেটা মাপার সবচেয়ে ছোট একক (যেমন ১ বেসিস পয়েন্ট মানে ০.০১%)।
Forex (Foreign Exchange) এমন একটা বিশাল মার্কেট যেখানে এক দেশের মুদ্রার সাথে অন্য দেশের মুদ্রা (যেমন রুপি দিয়ে ডলার) কেনা-বেচা করা হয়।
Escrow Account কোনো বড় ডিল হওয়ার সময় শর্ত পূরণ না হওয়া অবধি থার্ড পার্টির দ্বারা যে অ্যাকাউন্টে টাকাটা সেফলি আটকে রাখা হয়।
AQB & AMB অ্যাকাউন্টে ফাইন না দিয়ে টিকে থাকার জন্য তিন মাসে (AQB) বা এক মাসে (AMB) গড়ে যে টাকাটা রাখতেই হয়।

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):

  • Monetary Policy-এর অস্ত্র: বাজারে মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) বা জিনিসের দাম কন্ট্রোল করার জন্য Repo Rate, Reverse Repo Rate, CRR, ও SLR হলো রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
  • SWIFT বনাম IFSC: দেশের ভেতরে যেকোনো অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে ১১ অক্ষরের IFSC Code লাগে, কিন্তু বিদেশ থেকে টাকা আনা বা পাঠানোর জন্য ৮ বা ১১ অক্ষরের SWIFT Code ছাড়া কাজ হবে না।
  • NPA (Non-Performing Asset) নিয়ম: কেউ যদি লোন নিয়ে একটানা ৯০ দিন কিস্তি না দেয়, ব্যাঙ্ক তখন বুঝে যায় টাকাটা মার যাওয়ার চান্স আছে, তাই ওই লোনটাকে 'NPA' বা ব্যাড লোন বলে দাগিয়ে দেয়।
  • RTGS-এর লিমিট: বড় লেনদেনের ক্ষেত্রে RTGS খুব কাজের, তবে এর মাধ্যমে পাঠাতে গেলে কমপক্ষে ২ লক্ষ টাকা পাঠাতেই হবে (বেশি পাঠানোর কোনো লিমিট নেই)।
  • Demat Account: অনেকেই ভাবেন সেভিংস অ্যাকাউন্ট থেকেই বোধহয় শেয়ার কেনা যায়, কিন্তু না! ভারতের শেয়ার বাজার (Stock Market)-এ ইনভেস্ট করতে গেলে Demat Account থাকা মাস্ট।
  • ডিজিটাল পেমেন্টের বস (NPCI): আজকাল আমরা কথায় কথায় যে ইউপিআই (UPI) পেমেন্ট করি, এই গোটা সিস্টেমটাকে বানিয়েছে এবং কন্ট্রোল করে NPCI (National Payments Corporation of India)।
ব্যাঙ্কিং অ্যাওয়ারনেস-এর এই অত্যন্ত দরকারি তালিকাটি নিচে পিডিএফ ফরম্যাটে দেওয়া হলো, যাতে আপনারা অফলাইনে বা প্রিন্ট করেও পড়তে পারেন।

ফাইল ডিটেইলস

File Details:

  • File Name: ব্যাঙ্কিং পরিভাষা সমূহের তালিকা (Full Forms সহ)
  • File Format: PDF
  • No. of Pages: 5
  • File Size: 248 KB

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

Repo Rate বা রেপো রেট কাকে বলে?
খুব সোজা ভাষায়, ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) যখন দেশের অন্যান্য সাধারণ ব্যাঙ্কগুলোকে অল্প সময়ের জন্য টাকা ধার দেয়, তখন যে সুদের হারটা চার্জ করে, সেটাকেই রেপো রেট বলা হয়।
KYC-এর পূর্ণরূপ কী এবং এটা কেন লাগে?
KYC-এর ফুল ফর্ম হলো 'Know Your Customer'। কোনো জালিয়াতি বা ফেক অ্যাকাউন্ট খোলা আটকাতে ব্যাঙ্ক তার গ্রাহকদের সঠিক পরিচয় ও ঠিকানা যাচাই করার জন্য এই প্রসেসটা ব্যবহার করে।
IFSC এবং SWIFT কোডের মধ্যে তফাত কোথায়?
IFSC (Indian Financial System Code) কোড লাগে ভারতের ভেতরে এক ব্যাঙ্ক থেকে অন্য ব্যাঙ্কে অনলাইনে টাকা পাঠানোর জন্য। অন্যদিকে, বিদেশ থেকে টাকা আনা বা পাঠানোর জন্য দরকার হয় SWIFT কোডের।
ব্যাঙ্ক কখন লোনকে NPA বলে দাগিয়ে দেয়?
NPA মানে হলো Non-Performing Asset। কেউ যদি ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়ে টানা ৯০ দিন বা ৩ মাস ধরে কোনো কিস্তি বা সুদ জমা না করে, তখন ব্যাঙ্ক ওই লোনটাকে NPA বলে ঘোষণা করে।
RTGS কী এবং এতে কম করে কত টাকা পাঠানো যায়?
RTGS বা 'Real Time Gross Settlement' হলো অনলাইনে বড় অঙ্কের টাকা সাথে সাথে পাঠানোর একটা সিস্টেম। এর মাধ্যমে টাকা পাঠাতে গেলে মিনিমাম ২ লক্ষ টাকা পাঠাতেই হবে।

💡 ব্যাঙ্কিং অ্যাওয়ারনেস-এর এই দরকারি নোটসটি আপনাদের উপকারে আসলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। কোনো টার্ম বুঝতে অসুবিধা হলে নিচে কমেন্ট করে আড্ডায় যোগ দিতে পারেন!