বিশ্বের বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও তাদের আবিষ্কার তালিকা PDF | Famous Scientists List in Bengali
📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:
সরকারি চাকরির পরীক্ষা (যেমন- UPSC, WBCS, রেলওয়ে, ব্যাঙ্ক বা SSC) প্রস্তুতির ক্ষেত্রে 'বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি' বা সাধারণ বিজ্ঞান একটি অত্যন্ত জরুরি বিষয়। পরীক্ষায় হামেশাই বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও তাদের আবিষ্কার (Inventions and Inventors) থেকে প্রশ্ন আসে। যেমন- "অনিশ্চয়তা নীতি কে দিয়েছেন?", "ডিএনএ-র ডাবল হেলিক্স মডেল কার?" বা "ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক কে?"। আপনাদের পড়ার সুবিধার জন্য নিচে দেশ-বিদেশের এবং ভারতের ৫৪ জন প্রখ্যাত বিজ্ঞানীর একটি সম্পূর্ণ তালিকা, তাঁদের বৈজ্ঞানিক অবদান এবং নোবেলজয়ীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছকের সাহায্যে দেওয়া হলো। সাথে থাকছে রিভিশন দেওয়ার জন্য একটি দরকারি PDF নোটস।
ভূমিকা
Hello Aspirants,
চাকরির পরীক্ষার স্ট্যাটিক জিকে বা সাধারণ বিজ্ঞান অংশে 'পৃথিবীর বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের নাম ও তাদের আবিষ্কারের তালিকা' থেকে বারবার প্রশ্ন আসে। বিগত বছরগুলোর প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করলে দেখবেন, পদার্থবিজ্ঞানী, রসায়নবিদ, জীববিজ্ঞানী থেকে শুরু করে ভারতের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণার জনকদের নাম পরীক্ষকদের খুব পছন্দের একটি টপিক।
বইয়ের কঠিন ভাষায় লেখা তথ্য মুখস্থ করতে গেলে অনেক সময় পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে গুলিয়ে যায়। তাই একদমই খুব সহজ কথায় বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের অবদানগুলো নিচে পয়েন্ট করে সাজিয়ে দিলাম। এই তালিকাটি একবার ভালোভাবে চোখ বুলিয়ে নিলেই আপনাদের কনসেপ্ট একদম জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে।
এই তালিকাটি পরীক্ষার জন্য কেন এতো দরকারি?
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জিকে (Science & Technology GK) হিসেবে এই অংশটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ১-২ নম্বর প্রায় নিশ্চিত থাকে। আইজ্যাক নিউটনের গতিসূত্র থেকে শুরু করে সি. ভি. রমনের 'রমন এফেক্ট' বা এ. পি. জে. আব্দুল কালামের মিসাইল প্রোগ্রাম— এই যুগান্তকারী আবিষ্কারগুলো আমাদের আধুনিক সভ্যতার ভিত গড়ে দিয়েছে। এগুলো জানা থাকলে শুধু যে চাকরি পাওয়াই সহজ হয় তা নয়, আমাদের চারপাশের জগতটা কীভাবে চলছে সেটা বুঝতেও অনেক সুবিধা হয়।
বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও তাদের আবিষ্কারের সম্পূর্ণ তালিকা
নিচে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা, গণিত/জ্যোতির্বিদ্যা এবং বিশেষ করে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের যুগান্তকারী অবদানগুলোর একটি পরিচ্ছন্ন ও সম্পূর্ণ তালিকা দেওয়া হলো:
| বিজ্ঞানী ও দেশ (Scientist & Nationality) | আবিষ্কার বা অবদান (Breakthrough Discovery) |
|---|---|
| আইজ্যাক নিউটন (ব্রিটিশ) |
গতির ৩টি সূত্র, মহাকর্ষীয় সূত্র (F=Gm₁m₂/r²) এবং ক্যালকুলাসের সহ-আবিষ্কারক। তাঁর বিখ্যাত বইয়ের নাম 'প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা'। |
| অ্যালবার্ট আইনস্টাইন (জার্মান-আমেরিকান) |
যুগান্তকারী আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্ব (E=mc²) দিয়েছেন। তবে তিনি নোবেল পেয়েছিলেন 'আলোকতড়িৎ ক্রিয়া' (Photoelectric Effect) ব্যাখ্যার জন্য। |
| গ্যালিলিও গ্যালিলি (ইতালীয়) |
"আধুনিক বিজ্ঞানের জনক"। তিনি উন্নত টেলিস্কোপ বানিয়ে বৃহস্পতির ৪টি উপগ্রহ আবিষ্কার করেন এবং পৃথিবী যে সূর্যের চারপাশে ঘোরে তা প্রমাণ করেন। |
| নিকোলা টেসলা (সার্বিয়ান-আমেরিকান) |
অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC Current), টেসলা কয়েল এবং রেডিওর মূল প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। |
| মাইকেল ফ্যারাডে (ব্রিটিশ) |
বিদ্যুৎচুম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic Induction), তড়িৎ বিশ্লেষণের সূত্র ও বৈদ্যুতিক মোটর আবিষ্কার করেন। তাঁকে "বিদ্যুতের জনক" বলা হয়। |
| জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল (স্কটিশ) |
ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ। তিনি গাণিতিকভাবে প্রমাণ করেন যে বিদ্যুৎ, চুম্বকত্ব এবং আলো আসলে একই শক্তির আলাদা রূপ। |
| ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক (জার্মান) |
কোয়ান্টাম তত্ত্বের জনক। তাঁর কাজের ওপর ভিত্তি করেই আধুনিক কোয়ান্টাম মেকানিক্সের জন্ম। প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক (h) তাঁর নামেই। |
| নিলস বোর (ড্যানিশ) |
পরমাণুর গঠন (বোর মডেল) তৈরি করেন এবং দেখান ইলেকট্রনগুলো কীভাবে নিউক্লিয়াসের চারপাশে নির্দিষ্ট কক্ষে ঘোরে। |
| ভার্নার হাইজেনবার্গ (জার্মান) |
কোয়ান্টাম মেকানিক্সের বিখ্যাত 'অনিশ্চয়তা নীতি' (Uncertainty Principle) প্রদান করেন। |
| এরউইন শ্রোডিঞ্জার (অস্ট্রিয়ান) |
ওয়েভ মেকানিক্স তৈরি করেন। তাঁর 'শ্রোডিঞ্জারের বিড়াল' (Schrödinger's Cat) থট এক্সপেরিমেন্ট বিজ্ঞানের দুনিয়ায় খুব জনপ্রিয়। |
| মেরি কুরি (পোলিশ-ফরাসি) |
তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে রেডিয়াম ও পোলোনিয়াম আবিষ্কার করেন। তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি পদার্থবিদ্যা ও রসায়ন—দুটিতেই নোবেল পান। |
| আর্নেস্ট রাদারফোর্ড (নিউজিল্যান্ড-ব্রিটিশ) |
পরমাণুর নিউক্লিয়াস এবং আলফা/বিটা রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁকে "নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের জনক" বলা হয়। |
| জেমস চ্যাডউইক (ব্রিটিশ) |
১৯৩২ সালে পরমাণুর অন্যতম মূল কণা 'নিউট্রন' আবিষ্কার করেন। |
| রিচার্ড ফেইনম্যান (আমেরিকান) |
কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডায়নামিক্সে (QED) তাঁর কাজের জন্য নোবেল পান। তিনি বিজ্ঞানের একজন অসাধারণ শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। |
| স্টিফেন হকিং (ব্রিটিশ) |
ব্ল্যাক হোল এবং হকিং রেডিয়েশন নিয়ে যুগান্তকারী কাজ করেন। তাঁর লেখা 'A Brief History of Time' একটি বিখ্যাত বই। |
| অ্যান্টনি ল্যাভয়সিয়ে (ফরাসি) |
আধুনিক রসায়নের জনক। তিনি প্রমাণ করেন দহনের জন্য অক্সিজেন লাগে এবং ভরের নিত্যতা সূত্র প্রদান করেন। |
| জন ডাল্টন (ব্রিটিশ) |
পদার্থের পরমাণু তত্ত্ব বা 'অ্যাটমিক থিওরি' প্রথম তিনিই সবার সামনে আনেন। |
| দিমিত্রি মেন্ডেলিভ (রাশিয়ান) |
মৌলগুলোকে সাজিয়ে আধুনিক 'পর্যায় সারণি' বা পিরিয়ডিক টেবিল (Periodic Table) তৈরি করেন। |
| আলফ্রেড নোবেল (সুইডিশ) |
ভয়ঙ্কর বিস্ফোরক 'ডিনামাইট' আবিষ্কার করেন। তাঁর জমানো টাকা দিয়েই নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। |
| হামফ্রি ডেভি (ব্রিটিশ) |
সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়ামের মতো মৌল আলাদা করেন এবং 'লাফিং গ্যাস' (N₂O) আবিষ্কার করেন। |
| ফ্রেডরিখ ভোলার (জার্মান) |
ল্যাবরেটরিতে প্রথম কৃত্রিম জৈব যৌগ হিসেবে 'ইউরিয়া' তৈরি করেন, যা প্রমাণ করে জৈব যৌগ বানাতে কোনো অলৌকিক প্রাণশক্তির দরকার নেই। |
| লুই পাস্তুর (ফরাসি) |
পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি এবং জলাতঙ্ক (Rabies) ও কলেরার টিকা বানান। তাঁকে "মাইক্রোবায়োলজির জনক" বলা হয়। |
| রবার্ট বয়েল (আইরিশ) |
গ্যাসের চাপের সাথে আয়তনের সম্পর্ক নিয়ে বিখ্যাত 'বয়েলের সূত্র' দেন। |
| লিনাস পলিং (আমেরিকান) |
রাসায়নিক বন্ধন (Chemical Bond) নিয়ে কাজ করেন। তিনিই একমাত্র মানুষ যিনি একা দু'বার (রসায়ন ও শান্তি) নোবেল পান। |
| চার্লস ডারউইন (ব্রিটিশ) |
প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে 'বিবর্তনবাদ' (Theory of Evolution) থিওরি দেন। বিখ্যাত বইয়ের নাম 'On the Origin of Species'। |
| গ্রেগর জোহান মেন্ডেল (অস্ট্রিয়ান) |
মটর গাছ নিয়ে পরীক্ষা করে বংশগতির সূত্র আবিষ্কার করেন। তিনি "জেনেটিক্সের জনক"। |
| রবার্ট কক (জার্মান) |
যক্ষ্মা (TB) এবং কলেরার জীবাণু আবিষ্কার করেন এবং রোগের কারণ খুঁজতে 'ককস পসটুলেটস' প্রদান করেন। |
| আলেকজান্ডার ফ্লেমিং (স্কটিশ) |
১৯২৮ সালে ল্যাবরেটরিতে ভুলবশত বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক 'পেনিসিলিন' আবিষ্কার করে ফেলেন। |
| ক্রিক এবং ওয়াটসন (ব্রিটিশ/আমেরিকান) |
১৯৫৩ সালে ডিএনএ (DNA)-এর বিখ্যাত ডাবল হেলিক্স গঠন (Double Helix Structure) আবিষ্কার করেন। |
| রোজালিন্ড ফ্র্যাঙ্কলিন (ব্রিটিশ) |
তাঁর তোলা এক্স-রে ক্রিস্টালোগ্রাফি ছবি (Photo 51) দেখেই ক্রিক ও ওয়াটসন DNA-র গঠন বুঝতে পেরেছিলেন। |
| এডওয়ার্ড জেনার (ব্রিটিশ) |
গুটিবসন্তের (Smallpox) টিকা আবিষ্কার করেন। এটিই ছিল চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম কোনো রোগের টিকা। |
| কার্ল লিনিয়াস (সুইডিশ) |
জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাস বা ট্যাক্সোনমি এবং 'দ্বিপদ নামকরণ' বা বৈজ্ঞানিক নাম লেখার পদ্ধতি চালু করেন। |
| অ্যান্টনি ভন লিউয়েনহুক (ডাচ) |
নিজের হাতে অণুবীক্ষণ যন্ত্র বানিয়ে প্রথম ব্যাকটেরিয়া ও অণুজীব দেখেন। |
| উইলিয়াম হার্ভে (ব্রিটিশ) |
মানুষের শরীরে রক্ত কীভাবে হৃদপিণ্ড থেকে সারাদেহে চলাচল করে (Blood Circulation), তা প্রথম সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করেন। |
| আর্কিমিডিস (গ্রিক) |
জলে ভেসে থাকার প্লবতা সূত্র (Archimedes' Principle) এবং লিভারের নীতি আবিষ্কার করেন। |
| পিথাগোরাস (গ্রিক) |
সমকোণী ত্রিভুজ নিয়ে তাঁর বিখ্যাত 'পিথাগোরাসের উপপাদ্য' (a² + b² = c²) দেন। |
| ইউক্লিড (গ্রিক) |
জ্যামিতির জনক। তাঁর লেখা বই 'এলিমেন্টস' আধুনিক জ্যামিতির মূল ভিত্তি। |
| নিকোলাস কোপার্নিকাস (পোলিশ) |
প্রথম বলেন যে পৃথিবীর বদলে সূর্যই আসলে সৌরজগতের কেন্দ্রে আছে আর গ্রহগুলো তাকে ঘিরেই ঘোরে (Heliocentric model)। |
| জোহানেস কেপলার (জার্মান) |
গ্রহগুলোর গতিপথ গোল নয় বরং ডিম্বাকার (উপবৃত্তাকার)—এই নিয়ে গ্রহদের গতির তিনটি সূত্র দেন। |
| অ্যালান টিউরিং (ব্রিটিশ) |
কম্পিউটার সায়েন্সের জনক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে শত্রুদের গোপন কোড ভাঙতে তিনি 'টিউরিং মেশিন' বানান। |
| কার্ল ফ্রেডরিখ গাউস (জার্মান) |
গাণিতিক পরিসংখ্যান ও সংখ্যাতত্ত্বের ওপর তাঁর কাজের জন্য তাঁকে "গণিতের রাজপুত্র" বলা হয়। |
| আর্যভট্ট (ভারতীয়) |
দশমিক প্রথা চালু করেন, পাই (π)-এর মান বের করেন এবং প্রমাণ করেন পৃথিবী নিজের অক্ষে ঘোরে। ভারতের প্রথম উপগ্রহ তাঁর নামেই তৈরি হয়। |
| ব্রহ্মগুপ্ত (ভারতীয়) |
শূন্য (0)-কে প্রথম একটি পূর্ণ সংখ্যা হিসেবে ধরেন এবং শূন্য দিয়ে অঙ্ক কষার নিয়ম শিখিয়ে দেন। |
| শ্রীনিবাস রামানুজন (ভারতীয়) |
সংখ্যাতত্ত্ব ও অসীম ধারার ওপর অসাধারণ কাজ করেছেন। তাঁর স্মৃতিতে ১৭২৯ সংখ্যাটিকে 'হার্ডি-রামানুজন সংখ্যা' বলা হয়। |
| সি. ভি. রমন (ভারতীয়) |
আলোর বিচ্ছুরণ বা 'রমন এফেক্ট' আবিষ্কার করেন। বিজ্ঞানে তিনিই ভারতের প্রথম নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী (১৯৩০)। |
| জগদীশ চন্দ্র বসু (ভারতীয়) |
রেডিও তরঙ্গ নিয়ে কাজ করেন এবং 'ক্রেস্কোগ্রাফ' যন্ত্র দিয়ে প্রথম প্রমাণ করেন যে উদ্ভিদেরও প্রাণ বা অনুভূতি আছে। |
| সত্যেন্দ্রনাথ বসু (ভারতীয়) |
কোয়ান্টাম মেকানিক্সে আইনস্টাইনের সাথে কাজ করেন (বোস-আইনস্টাইন স্ট্যাটিস্টিকস)। তাঁর নামেই 'বোসন' কণার নামকরণ করা হয়েছে। |
| হোমি জে ভাবা (ভারতীয়) |
ভারতের পরমাণু শক্তি কর্মসূচির প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁকে "ভারতীয় পরমাণু কর্মসূচির জনক" বলা হয়। |
| বিক্রম সারাভাই (ভারতীয়) |
ইসরো (ISRO) প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি হলেন "ভারতীয় মহাকাশ কর্মসূচির জনক"। ভারতের চন্দ্রযানের ল্যান্ডার তাঁর নামেই রাখা হয়েছে। |
| এ. পি. জে. আব্দুল কালাম (ভারতীয়) |
অগ্নি এবং পৃথ্বী মিসাইল তৈরির মূল কারিগর। ভারতের ১১তম রাষ্ট্রপতি কালাম স্যারকে ভালোবেসে "মিসাইল ম্যান" বলা হয়। |
| হর গোবিন্দ খোরানা (ভারতীয় বংশোদ্ভূত) |
জেনেটিক কোড পড়া এবং প্রোটিন সিন্থেসিস নিয়ে যুগান্তকারী কাজের জন্য নোবেল পুরস্কার (১৯৬৮) পান। |
| সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর (ভারতীয় বংশোদ্ভূত) |
তারকাদের বিবর্তন নিয়ে কাজ করে 'চন্দ্রশেখর লিমিট' আবিষ্কার করেন, যার জন্য তিনি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পান। |
| মেঘনাদ সাহা (ভারতীয়) |
তাঁর দেওয়া 'তাপীয় আয়নন তত্ত্ব' (Saha Ionization Equation) জ্যোতির্পদার্থবিদ্যায় এক যুগান্তকারী আবিষ্কার হিসেবে ধরা হয়। |
| প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবীশ (ভারতীয়) |
ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট (ISI)-এর প্রতিষ্ঠাতা। তাঁকে ভারতের পরিসংখ্যানবিদ্যার জনক বলা হয়। |
পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):
- আইনস্টাইনের নোবেল: সবাই ভাবে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বুঝি আপেক্ষিকতাবাদ (E=mc²)-এর জন্য নোবেল পেয়েছিলেন। কিন্তু না! তিনি নোবেল পান আলোকতড়িৎ ক্রিয়া (Photoelectric effect) ব্যাখ্যার জন্য। এটি পরীক্ষার অন্যতম বড় ফাঁদ!
- দু'বার নোবেল জয়: মেরি কুরি হলেন ইতিহাসের একমাত্র মানুষ যিনি বিজ্ঞানের সম্পূর্ণ আলাদা দুটি শাখায়—পদার্থবিদ্যা (১৯০৩) এবং রসায়নে (১৯১১) নোবেল পুরস্কার জিতেছেন।
- জাতীয় বিজ্ঞান দিবস: ২৮ ফেব্রুয়ারি সি. ভি. রমন তাঁর বিখ্যাত 'রমন এফেক্ট' আবিষ্কার করেছিলেন। তাঁর এই বিরাট সাফল্যকে মনে রাখতেই ভারতে প্রতি বছর এই দিনটিতে 'National Science Day' পালিত হয়।
- বিবর্তন বনাম বংশগতি: চার্লস ডারউইন দিয়েছেন 'বিবর্তনবাদ' (Theory of Evolution)। অন্যদিকে, গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে বলা হয় 'বংশগতিবিদ্যার জনক' (Father of Genetics)। পরীক্ষার হলে এই দুটো অপশন যেন গুলিয়ে না যায়।
- শূন্যের গোলকধাঁধা: আর্যভট্ট দশমিক ব্যবস্থা আনলেও, ব্রহ্মগুপ্ত প্রথম শূন্য (0)-কে একটা আস্ত সংখ্যা হিসেবে মান্যতা দিয়েছিলেন এবং শূন্য দিয়ে কীভাবে অঙ্ক কষতে হয় তা দেখিয়েছিলেন।
ফাইল ডিটেইলস
File Details:
- File Name: বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও তাদের আবিষ্কার তালিকা
- File Format: PDF
- No. of Pages: 6
- File Size: 322 KB
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)
- E=mc² সমীকরণটি কার এবং তিনি কিসের জন্য নোবেল পান?
- E=mc² (আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্ব) সমীকরণটি প্রখ্যাত বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের দেওয়া। তবে তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন 'আলোকতড়িৎ ক্রিয়া' বা Photoelectric Effect আবিষ্কারের জন্য।
- আধুনিক বিজ্ঞানের জনক কাকে বলা হয়?
- ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং পদার্থবিদ গ্যালিলিও গ্যালিলিকে তাঁর পর্যবেক্ষণমূলক জ্যোতির্বিদ্যা এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অসাধারণ অবদানের জন্য আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন কে আবিষ্কার করেন?
- ১৯২৮ সালে স্কটিশ জীববিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন (Penicillin) আবিষ্কার করেন, যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
- ভারতের 'মিসাইল ম্যান' (Missile Man) কাকে বলা হয়?
- ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. এ. পি. জে. আব্দুল কালামকে তাঁর আইজিএমডিপি (অগ্নি ও পৃথ্বী মিসাইল) প্রোগ্রামে অসামান্য অবদানের জন্য ভারতের 'মিসাইল ম্যান' বলা হয়।
- ভারতে কবে এবং কেন 'জাতীয় বিজ্ঞান দিবস' পালিত হয়?
- প্রতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারতে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস পালিত হয়। ১৯২৮ সালের এই দিনেই ভারতীয় পদার্থবিদ সি. ভি. রমন তাঁর বিখ্যাত 'রমন এফেক্ট' আবিষ্কার করেছিলেন।