শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

শুক্রবার, নভেম্বর ০৬, ২০২৬

Current Affairs 2026 in Bengali PDF | কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ২০২৬

Bengali Current Affairs 2026 PDF (January-December) | কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স প্রশ্ন উত্তর 2026

প্রিয় পরীক্ষার্থী বন্ধুরা,

আপনাদের সরকারি চাকরির প্রস্তুতির সুবিধার জন্য আমরা ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ বাংলা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স (Bengali Current Affairs 2026 PDF) শেয়ার করছি। ডাব্লুবিপিএসসি (WBPSC), ডাব্লুবিপি (WBP Constable & SI), ফুড এসআই (Food SI), ক্লার্কশিপ (Clerkship) সহ পশ্চিমবঙ্গের যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক ঘটনাবলী বা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

এই পেজে আপনারা জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি মাসের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পিডিএফ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা প্রতিটি মাসের পিডিএফ তিনটি ভার্সনে—One-liner (বাংলা), MCQ (বাংলা) এবং English-এ প্রস্তুত করেছি। নিচের তালিকা থেকে আপনার প্রয়োজনীয় ফাইলটি সংগ্রহ করে নিন এবং আপনার প্রস্তুতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যান। সময়ের সাথে সাথে নতুন মাসের পিডিএফগুলোও এখানে আপডেট করা হবে।

বাংলা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ PDF

সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বিনামূল্যে পিডিএফ ডাউনলোড করুন

জানুয়ারি ২০২৬
ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এপ্রিল ২০২৬
সেপ্টেম্বর ২০২৬
অক্টোবর - ডিসেম্বর ২০২৬
শীঘ্রই আসছে

ভালো লাগলে অবশ্যই বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করবেন

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

প্রশ্ন ১: এই কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সগুলো কোন কোন পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত?

উত্তর: এই পিডিএফগুলো মূলত পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ (WBP), কলকাতা পুলিশ (KP), WBPSC Clerkship, Food SI, এবং WBCS-এর মতো রাজ্য সরকারি পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে।

প্রশ্ন ২: ২০২৬ সালের সমস্ত মাসের পিডিএফ কি একসাথে পাওয়া যাবে?

উত্তর: না, মাস শেষ হওয়ার সাথে সাথে নতুন মাসের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স (MCQ ও One-liner) এই পেজেই আপডেট করা হয়। তাই পেজটি বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।

শুক্রবার, নভেম্বর ০৬, ২০২৬

IDO পরীক্ষার সিলেবাস PDF | প্রশ্নপত্র

IDO পরীক্ষার সিলেবাস PDF | WBPSC IDO Exam Syllabus & Question Papers in Bengali

WBPSC IDO Exam Syllabus PDF Download and Exam Pattern details in Bengali
সরকারি চাকরি: WBPSC IDO পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ও বিগত বছরের প্রশ্নপত্র

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (WBPSC) মাইক্রো, স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ ডিরেক্টরেটের অধীনে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অফিসার (IDO) পদে ২৪৭টি শূন্যপদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের এবং ইন্টারভিউ হবে ১৫ নম্বরের। পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে আমরা নিচে পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্যাটার্ন ও সিলেবাসের বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিভাজন আলোচনা করেছি। পাশাপাশি রিভিশন ও অফলাইনে পড়ার জন্য সিলেবাস ও বিগত বছরের প্রশ্নপত্রের (PYQ) PDF ডাউনলোড লিংক যুক্ত করা হয়েছে।

ভূমিকা

Hello Aspirants,

যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সফল হওয়ার প্রথম ধাপ হলো সেই পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে সম্পূর্ণ ও সঠিক ধারণা থাকা। আপনারা যারা WBPSC-এর মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অফিসার (IDO) পদের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য IDO পরীক্ষার সিলেবাস PDF ও এর নম্বর বিভাজন জানা অত্যন্ত জরুরি।

কমিশনের প্রকাশিত নতুন বিজ্ঞপ্তি (Advertisement No. 15/2024) অনুযায়ী, এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে— লিখিত পরীক্ষা (Part-I) এবং ইন্টারভিউ (Part-II)। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত প্রতিটি বিষয়ের নম্বর বিভাজন নিচে খুব সহজভাবে ছকের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া হলো যাতে আপনাদের পড়াশোনার পরিকল্পনা করতে সুবিধা হয়।

IDO লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন

লিখিত পরীক্ষাটি (Part-I) মোট ১০০ নম্বরের হবে এবং এতে মোট ১০০টি প্রশ্ন থাকবে। অর্থাৎ প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ নম্বর। নিচে বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিভাজন দেওয়া হলো:

পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ মোট সময় হলো ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
WBPSC IDO Exam Syllabus & Marks Distribution
বিষয়ের নাম (Subjects) নম্বর (Marks)
ইংরেজি (English) ১৫
ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেফটি/সিকিউরিটি মেজারস এবং পলিউশন কন্ট্রোল মেজারস ১০
পরিবেশগত ইস্যু (শক্তি সংরক্ষণ এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির উপর জোর দিয়ে) ১৫
ভৌত বিজ্ঞান (Physical Science) ১৫
প্রাথমিক কম্পিউটার জ্ঞান (Elementary Computer Knowledge) ১০
পশ্চিমবঙ্গের শিল্প পরিস্থিতি এবং শিল্পের সম্ভাবনা ১৫
মেন্টাল অ্যাবিলিটি এবং পাটিগণিত (Mental Ability and Arithmetic) ২০
সর্বমোট নম্বর (Total Marks): ১০০

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):

  • বয়সসীমা (Age Limit): সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ০১.০১.২০২৪ তারিখের হিসাবে সাধারণ প্রার্থীদের বয়স ১৮ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে SC/ST প্রার্থীরা ৫ বছর এবং OBC প্রার্থীরা ৩ বছরের বয়সের ছাড় পাবেন।
  • নেগেটিভ মার্কিং (Negative Marking): লিখিত পরীক্ষায় (MCQ) ভুল উত্তরের জন্য নেগেটিভ মার্কিং রয়েছে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।
  • ইন্টারভিউ: লিখিত পরীক্ষায় পাস করলে ১৫ নম্বরের একটি ইন্টারভিউ (Part-II) নেওয়া হবে। চূড়ান্ত মেরিট লিস্ট (Final Merit List) লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউ মিলিয়ে মোট ১১৫ নম্বরের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে।
  • ভাষাগত যোগ্যতা: প্রার্থীদের অবশ্যই বাংলা ভাষায় পড়তে, লিখতে এবং কথা বলতে পারতে হবে (যাঁদের মাতৃভাষা নেপালি তাঁদের ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক নয়)। ইন্টারভিউয়ের সময় বাংলা ভাষার জ্ঞান যাচাই করা হবে।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং বা টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা থাকতে হবে।
WBPSC IDO পরীক্ষার এই সম্পূর্ণ সিলেবাস ও নম্বর বিভাজনের তালিকাটি নিচে পিডিএফ (PDF) ফরম্যাটে দিয়ে দেওয়া হলো, যাতে আপনারা অফলাইনে পড়তে পারেন।

ফাইল ডিটেইলস

File Details:

  • File Name: WBPSC IDO Exam Syllabus & Pattern 2026
  • File Format: PDF
  • No. of Pages: 2
  • File Size: 145 KB

IDO পরীক্ষার সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়ার পাশাপাশি বিগত বছরের প্রশ্নপত্র (PYQ) সমাধান করা অত্যন্ত জরুরি। বিগত বছরের প্রশ্নপত্র দেখলে পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, কাঠিন্যের মাত্রা এবং কোন টপিকগুলো থেকে বেশি প্রশ্ন আসে, সেই বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়। তাই পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আমরা নিচে বিগত বছরের প্রশ্নপত্রের পিডিএফ লিংক যুক্ত করেছি।

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

IDO পরীক্ষার মোট শূন্যপদ কতগুলি?
পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী IDO পদে মোট ২৪৭টি শূন্যপদ রয়েছে।
IDO লিখিত পরীক্ষায় কি নেগেটিভ মার্কিং আছে?
হ্যাঁ, লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।
এই পরীক্ষায় বসার জন্য বয়সসীমা কত?
সাধারণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ০১.০১.২০২৪ তারিখ অনুযায়ী বয়স ১৮ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে হতে হবে। সংরক্ষিত শ্রেণির প্রার্থীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সে ছাড় পাবেন।
IDO পরীক্ষার সময়সীমা কত?
১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের মোট ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হবে।
শুক্রবার, নভেম্বর ০৬, ২০২৬

ভারতের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের তালিকা PDF | Indian Scientists

ভারতের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের তালিকা PDF | Indian Scientists and their Inventions in Bengali

ভারতের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের তালিকা PDF ও তাঁদের যুগান্তকারী আবিষ্কার - Indian Scientists and Their Inventions GK
সায়েন্স জিকে: প্রাচীন থেকে আধুনিক ভারতের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ও তাঁদের আবিষ্কার

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

ভারতবর্ষ প্রাচীনকাল থেকেই জ্ঞান, বিজ্ঞান ও গবেষণার এক অনন্য পীঠস্থান। প্রাচীন যুগে আর্যভট্টের গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞান থেকে শুরু করে আধুনিক যুগে সিভি রামন, জগদীশ চন্দ্র বসু বা এপিজে আবদুল কালামের মতো মানুষেরা সারা বিশ্বকে পথ দেখিয়েছেন। যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় (যেমন- WBCS, SSC, RRB, WBP) 'ভারতের বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও তাদের আবিষ্কার' টপিকটি থেকে প্রশ্ন আসেই। আপনাদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে আজ আমরা ভারতের শীর্ষ বিজ্ঞানীদের নাম ও তাঁদের সেরা কাজগুলো ছকের আকারে গুছিয়ে দিলাম। সাথে থাকছে সহজে রিভিশন দেওয়ার জন্য একটি সুন্দর PDF নোটস।

ভূমিকা

Hello Aspirants,

আজকের এই পোস্টে আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি ভারতের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের তালিকা, যা আপকামিং যেকোনো পরীক্ষার স্ট্যাটিক জিকে (Static GK) এবং সাধারণ বিজ্ঞান (General Science) অংশের জন্য খুবই দরকারি।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের যে আশীর্বাদ আমরা ভোগ করছি, তার পেছনে ভারতীয় গবেষকদের অবদান অনেক বড়। শূন্য (Zero) আবিষ্কার থেকে শুরু করে চন্দ্রযান বা মঙ্গলযানের সাফল্য— প্রতিটি পদক্ষেপেই ভারতীয় মেধার ছাপ রয়েছে। পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিজ্ঞান বা মহাকাশ গবেষণায় ভারতের কোন বিজ্ঞানী কী অবদান রেখেছেন, তা একদম সহজ ভাষায় নিচে আলোচনা করা হলো।

ভারতীয় বিজ্ঞানীদের নাম ও তাঁদের আবিষ্কার

লাল রঙে হাইলাইট করা তথ্যগুলো বিগত বছরের বিভিন্ন পরীক্ষায় (WBCS, PSC, SSC) সবচেয়ে বেশিবার কমন এসেছে।
ভারতীয় বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারের বিস্তারিত তালিকা
বিজ্ঞানীর নাম (Scientist Name) প্রধান আবিষ্কার ও অবদান (Invention & Contribution)
সি. ভি. রামন (C.V. Raman) ১৯২৮ সালে আলোর বিচ্ছুরণ নিয়ে কাজের মাধ্যমে রমন এফেক্ট (Raman Effect) আবিষ্কার করেন। এর জন্য তিনি ১৯৩০ সালে পদার্থবিদ্যায় প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার জেতেন।
জগদীশ চন্দ্র বসু (Jagadish Chandra Bose) তাঁকে রেডিও বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ বলা হয়। তিনি ক্রেস্কোগ্রাফ (Crescograph) যন্ত্র আবিষ্কার করে বিশ্বের কাছে প্রথম প্রমাণ করেন যে উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে।
সত্যেন্দ্রনাথ বসু (Satyendra Nath Bose) অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের সাথে মিলে কোয়ান্টাম ফিজিক্সের বিখ্যাত বোস-আইনস্টাইন স্ট্যাটিস্টিক্স তৈরি করেন। তাঁর নামেই পদার্থের অন্যতম কণার নাম রাখা হয়েছে "বোসন (Boson)"।
এপিজে আবদুল কালাম (APJ Abdul Kalam) সারাদেশে তিনি মিসাইল ম্যান অফ ইন্ডিয়া নামে জনপ্রিয়। অগ্নি, পৃথ্বী মিসাইল তৈরি এবং ভারতের মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা গবেষণায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
হোমি জে. ভাভা (Homi J. Bhabha) তাঁকে ভারতের পরমাণু গবেষণার জনক বলা হয়। তিনি TIFR এবং BARC প্রতিষ্ঠা করে ভারতকে পারমাণবিক ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর করে তোলেন।
বিক্রম সারাভাই (Vikram Sarabhai) তাঁকে ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক বলা হয়। তিনি ISRO প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁর হাত ধরেই ভারতের প্রথম উপগ্রহ 'আর্যভট্ট' আকাশে ওড়ে।
শ্রীনিবাস রামানুজন (Srinivasa Ramanujan) অঙ্কশাস্ত্রে তাঁর অবদান অভাবনীয়। নাম্বার থিওরি এবং ইনফিনিট সিরিজের কাজে তাঁর দক্ষতা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তাঁর জন্মদিন ভারতে জাতীয় গণিত দিবস হিসেবে পালিত হয়।
আর্যভট্ট (Aryabhata) প্রাচীন ভারতের সেরা গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তিনি বিশ্বে প্রথম শূন্য (Zero) এর ধারণা দেন এবং প্রমাণ করেন যে পৃথিবী নিজের অক্ষের চারদিকে ঘোরে।
প্রফুল্ল চন্দ্র রায় (Prafulla Chandra Ray) তাঁকে ভারতীয় রসায়নশাস্ত্রের জনক বলা হয়। তিনি ভারতের প্রথম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি 'বেঙ্গল কেমিক্যালস' প্রতিষ্ঠা করেন এবং মারকিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কার করেন।
সালিম আলী (Salim Ali) ভারতের প্রখ্যাত পক্ষীবিশারদ (Ornithologist)। পাখি নিয়ে তাঁর অবিস্মরণীয় গবেষণার জন্য তাঁকে ভারতের পক্ষীমানব (Birdman of India) বলা হয়।
হর গোবিন্দ খোরানা (Har Gobind Khorana) জেনেটিক কোড এবং প্রোটিন সিন্থেসিস (সংশ্লেষণ) নিয়ে যুগান্তকারী কাজের জন্য তিনি ১৯৬৮ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর (Subrahmanyan Chandrasekhar) নক্ষত্রের জন্ম, বিবর্তন এবং ব্ল্যাকহোল নিয়ে গবেষণার জন্য তিনি চন্দ্রশেখর লিমিট (Chandrasekhar Limit) আবিষ্কার করেন। এর জন্য তিনি ১৯৮৩ সালে নোবেল পান।
মেঘনাদ সাহা (Meghnad Saha) জ্যোতির্পদার্থবিদ্যায় (Astrophysics) তাঁর তৈরি সাহা আয়োনাইজেশন সমীকরণ নক্ষত্রের তাপমাত্রা ও গঠন বুঝতে সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের সাহায্য করে।
কে. রাধাকৃষ্ণণ (K. Radhakrishnan) ইসরোর (ISRO) প্রাক্তন চেয়ারম্যান। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বেই ভারত প্রথম চেষ্টাতেই সফলভাবে মঙ্গলযান (Mangalyaan) মিশনে সাফল্য লাভ করে।
বীরবল সাহনি (Birbal Sahni) তাঁকে ভারতীয় প্যালিওবোটানি (Paleobotany) বা প্রত্নউদ্ভিদবিদ্যার জনক বলা হয়। প্রাচীন যুগের ফসিল ও উদ্ভিদ নিয়ে তাঁর কাজ বিশ্ববিখ্যাত।
শান্তি স্বরূপ ভাটনগর (Shanti Swarup Bhatnagar) বিজ্ঞানের প্রচার ও প্রসারে তাঁর ভূমিকা বিশাল। তিনি ভারতের বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংস্থা CSIR-এর প্রথম ডিরেক্টর-জেনারেল ছিলেন।
ভেঙ্কটরমন রামকৃষ্ণান (Venkatraman Ramakrishnan) জীবকোষের রাইবোজোমের (Ribosome) গঠন ও কাজের পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য তিনি ২০০৯ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
এস. এস. অভয়ঙ্কর (S.S. Abhyankar) অ্যালজেব্রাইক জিওমেট্রি বা বীজগণিতীয় জ্যামিতি গবেষণায় তাঁর অসামান্য অবদান রয়েছে।
জি. এন. রামচন্দ্রন (G.N. Ramachandran) মলিকিউলার বায়োফিজিক্সে প্রোটিনের পেপটাইড গঠন বর্ণনার জন্য বিশ্ববিখ্যাত রামচন্দ্রন প্লট (Ramachandran Plot) তৈরি করেন।

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):

  • প্রথম এশীয় নোবেলজয়ী: পদার্থবিদ্যায় প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার পান সি. ভি. রামন (১৯৩০)। তাঁর আবিষ্কারের দিনটিকে সম্মান জানাতে ভারতে প্রতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি 'জাতীয় বিজ্ঞান দিবস' (National Science Day) পালিত হয়।
  • মহাকাশ ও পরমাণুর জনক: পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই গুলিয়ে ফেলেন— ভারতের মহাকাশ গবেষণার জনক হলেন বিক্রম সারাভাই, আর পরমাণু কর্মসূচির জনক হলেন হোমি জে. ভাভা।
  • ঈশ্বর কণা (God Particle): ঈশ্বর কণা বা হিগস-বোসন কণার 'বোসন' অংশটি এসেছে বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর পদবি থেকে।
  • প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ: ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম 'আর্যভট্ট' (১৯৭৫)। প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত এই জ্যোতির্বিজ্ঞানীর নামেই উপগ্রহটির নামকরণ করা হয়েছিল।
সায়েন্স জিকে-এর এই সম্পূর্ণ তালিকাটি নিচে পিডিএফ (PDF) ফরম্যাটে দিয়ে দেওয়া হলো, যাতে আপনারা যেকোনো সময় অফলাইনে বা প্রিন্ট করে পড়তে পারেন।

ফাইল ডিটেইলস

File Details:

  • File Name: ভারতের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের তালিকা ও আবিষ্কার
  • File Format: PDF
  • No. of Pages: 3
  • File Size: 248 KB

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

ভারতের মিসাইল ম্যান (Missile Man) কাকে বলা হয়?
ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ড. এপিজে আবদুল কালামকে তাঁর যুগান্তকারী কাজের জন্য 'মিসাইল ম্যান অফ ইন্ডিয়া' বলা হয়।
রমন এফেক্ট কে আবিষ্কার করেন এবং কবে?
বিখ্যাত ভারতীয় পদার্থবিদ সি. ভি. রামন ১৯২৮ সালে রমন এফেক্ট আবিষ্কার করেন। এই কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
ভারতের মহাকাশ গবেষণার জনক কে?
বিজ্ঞানী বিক্রম সারাভাইকে ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির বা মহাকাশ গবেষণার জনক বলা হয়। তিনিই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) তৈরি করেছিলেন।
ক্রেস্কোগ্রাফ যন্ত্র কে আবিষ্কার করেন?
বাঙালি বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু ক্রেস্কোগ্রাফ নামক যন্ত্র আবিষ্কার করেন এবং এর মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে।
ভারতের পক্ষীমানব (Birdman of India) কাকে বলা হয়?
পাখি নিয়ে অসামান্য গবেষণা এবং সংরক্ষণের কাজের জন্য প্রখ্যাত পক্ষীবিশারদ সালিম আলী-কে ভারতের পক্ষীমানব বলা হয়।

💡 ভারতীয় বিজ্ঞানীদের এই গুরুত্বপূর্ণ তালিকাটি যদি আপনাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে একটুও সাহায্য করে থাকে, তবে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। কোনো বিজ্ঞানীর নাম বাদ পড়ে থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানান!

শুক্রবার, নভেম্বর ০৬, ২০২৬

বর্তমানে কোন কোন চাকরির ফর্ম ফিলাপ চলছে 2026 | Latest Govt Job Updates

বর্তমানে কোন কোন চাকরির ফর্ম ফিলাপ চলছে | Ongoing Govt Job Form Fill Up

বর্তমানে কোন কোন চাকরির ফর্ম ফিলাপ চলছে - Ongoing Govt Job Form Fill Up 2026
কর্মসংস্থান আপডেট: চলতি সপ্তাহে যে সমস্ত সরকারি চাকরির ফর্ম ফিলাপ চলছে তার তালিকা

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি (New Recruitment Notice) বেরোলেই চাকরিপ্রার্থীরা জানতে চান বর্তমানে কোন কোন চাকরির ফর্ম ফিলাপ চলছে। সঠিক সময়ে চলমান সরকারি চাকরির খবর (Ongoing Job News) না পাওয়ার দরুন অনেকেই আবেদনের সুযোগ হারান। আপনাদের সুবিধার্থে, বর্তমানে কোন কোন দপ্তরে (যেমন- WBPSC ক্লার্কশিপ, RRB NTPC ইত্যাদি) অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ (Online Form Fill Up) করার সুযোগ এখনো রয়েছে, তার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিচে দেওয়া হলো। যোগ্যতা অনুযায়ী শেষ তারিখের আগেই অনলাইনে আবেদন সেরে ফেলুন!

ভূমিকা

Hello Job Seekers,

সরকারি চাকরি (Government Jobs) খুঁজছেন? মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক বা গ্র্যাজুয়েশন পাস করে বসে আছেন, কিন্তু বুঝতে পারছেন না বর্তমানে কোথায় শূন্যপদ (Vacancy) রয়েছে বা কোন কোন দপ্তরে ফর্ম ফিলাপ চলছে? আর চিন্তা নেই!

চলতি সপ্তাহে রেলওয়ে, পাবলিক সার্ভিস কমিশন (WBPSC) সহ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে প্রচুর কর্মী নিয়োগের জন্য আবেদন গ্রহণ চলছে। অনেকেরই আবেদনের শেষ তারিখ (Last Date) বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়ে কনফিউশন থাকে। তাই নিচে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য খুব সুন্দরভাবে কার্ড আকারে সাজিয়ে দেওয়া হলো, যাতে আপনারা মোবাইল বা কম্পিউটার যেকোনো জায়গা থেকেই একনজরে সব তথ্য পেয়ে যান।

বর্তমানে ফর্ম ফিলাপ চলছে এমন চাকরির তালিকা (একনজরে)

নিচে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া বা ফর্ম ফিলাপ চলছে এমন সমস্ত সরকারি চাকরির (Govt Jobs) বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো। আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের লিংকে ক্লিক করে আবেদন করতে পারবেন:

'হট জব' ট্যাগ দেওয়া চাকরিগুলোতে প্রচুর শূন্যপদ রয়েছে এবং এগুলোর ফর্ম ফিলাপ খুব দ্রুত শেষ হতে চলেছে।

ভারতীয় রেলে স্টেশন মাস্টার পদে নিয়োগ

  • যোগ্যতা: স্নাতক পাস
  • শূন্যপদ: ১২৫০টি
  • শেষ তারিখ: ২৫শে নভেম্বর ২০২৬
ওয়েবসাইট ভিজিট করুন ➔

ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অফিসার (IDO)

  • যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রি
  • শূন্যপদ: ২৪৭টি
  • শেষ তারিখ: ২৬শে নভেম্বর ২০২৬
ওয়েবসাইট ভিজিট করুন ➔

রেলওয়ে NTPC Graduate 2026 হট জব

  • যোগ্যতা: গ্র্যাজুয়েশন পাশ
  • শূন্যপদ: ৩,৪৯৭ টি
  • শেষ তারিখ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬
ওয়েবসাইট ভিজিট করুন ➔

রেলওয়ে NTPC Under Graduate 2026 হট জব

  • যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক পাশ
  • শূন্যপদ: ১,৬৮৮ টি
  • শেষ তারিখ: ১০ নভেম্বর ২০২৬
ওয়েবসাইট ভিজিট করুন ➔

পিএসসির মাধ্যমে স্টেনোগ্রাফার নিয়োগ

  • যোগ্যতা: মাধ্যমিক পাশ + বেসিক কম্পিউটার নলেজ
  • শূন্যপদ: ২৬৬টি
  • শেষ তারিখ: ৭ই নভেম্বর ২০২৬
ওয়েবসাইট ভিজিট করুন ➔

পিএসসির মাধ্যমে সাব সার্ভেয়ার নিয়োগ

  • যোগ্যতা: মাধ্যমিক পাশ + সার্ভে ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ৩ বছরের ডিপ্লোমা
  • শূন্যপদ: ১১৪৫টি
  • শেষ তারিখ: ৯ই নভেম্বর ২০২৬
ওয়েবসাইট ভিজিট করুন ➔

অনলাইনে ফর্ম ফিলাপের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা:

  • WBPSC ক্লার্কশিপ আবেদন: পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ক্লার্কশিপ পরীক্ষার জন্য মাধ্যমিক পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। শেষ তারিখ ২৮ অক্টোবর।
  • রেলওয়ে NTPC নিয়োগ: রেলে আন্ডার-গ্র্যাজুয়েট এবং গ্র্যাজুয়েট লেভেলে প্রচুর নিয়োগ চলছে। এক্ষেত্রে আবেদনকারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট আরআরবি (RRB)-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ফর্ম ফিলাপ করতে হবে।
  • শেষ তারিখের অপেক্ষা করবেন না: অনেক ক্ষেত্রেই শেষ দিকে সার্ভারের সমস্যার কারণে অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করা যায় না। তাই লাস্ট ডেটের জন্য অপেক্ষা না করে আজই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
  • বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি: যেকোনো পদে আবেদন করার আগে ওয়েবসাইট থেকে অবশ্যই অফিশিয়াল নোটিফিকেশন (Official Notification) বা বিজ্ঞপ্তিটি ডাউনলোড করে বয়স, সিলেবাস এবং অন্যান্য শর্তাবলি ভালো করে পড়ে নেবেন।

চাকরির ফর্ম ফিলাপ সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

WBPSC ক্লার্কশিপ পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কী লাগে?
WBPSC ক্লার্কশিপ পরীক্ষায় আবেদনের জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ বা সমতুল্য বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাশ হতে হবে।
রেলে NTPC পদের আবেদনের শেষ তারিখ কবে?
রেলে NTPC Graduate লেভেলের পদের শেষ তারিখ ০৬ নভেম্বর ২০২৬ এবং NTPC Under Graduate পদের শেষ তারিখ ১০ নভেম্বর ২০২৬।
মাধ্যমিক পাসে বর্তমানে কোন চাকরির ফর্ম ফিলাপ চলছে?
উপরিউক্ত তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে রাজ্য সরকারের অধীনে WBPSC ক্লার্কশিপ পদে মাধ্যমিক পাশ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

💡 চাকরির এই গুরুত্বপূর্ণ আপডেটটি আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধব ও চাকরিপ্রার্থীদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করুন। ফর্ম ফিলাপ সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আপনাদের সাফল্যই আমাদের কাম্য!