মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬

বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা PDF | List of Cyclones in Bengali

বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নাম, সাল ও নামকরণকারী দেশের তালিকা PDF | List of Cyclones

বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা PDF - List of Cyclones and Naming Countries
ভূগোল জিকে: বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড় ও তাদের নামকরণকারী দেশের তালিকা

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

সরকারি চাকরির পরীক্ষা (যেমন- WBCS, SSC, TET, বা Railway) প্রস্তুতির জন্য স্ট্যাটিক জিকে এবং কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অংশে 'ঘূর্ণিঝড়ের নাম ও নামকরণকারী দেশ' একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টপিক। পরীক্ষায় হামেশাই প্রশ্ন আসে, "ডানা ঝড়ের নামকরণ করেছে কোন দেশ?" বা "বিপর্যয় কথার অর্থ কী?"। আপনাদের রিভিশনের সুবিধার্থে নিচে বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়, তাদের অর্থ, সাল এবং নামকরণকারী দেশের একটি সুন্দর তালিকা দেওয়া হলো। সাথে থাকছে সম্পূর্ণ তথ্যের একটি PDF নোটস।

ভূমিকা

Hi Friends,

আজ বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা PDF-টি শেয়ার করছি, যেটিতে বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড় এবং সেগুলির নামকরণকারী দেশ ও সালের তালিকা দেওয়া হলো। কারণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ভূগোল অংশ থেকে এই টপিকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। এছাড়া এগুলি সাম্প্রতিক ঘটনাবলী বা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স হিসাবেও এসে থাকে।

যেমন: জাওয়াদ ঝড়ের নামকরণ করেছে কোন দেশ? কিংবা ইয়াস কথার অর্থ কী? এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর যাতে আপনারা সহজেই মনে রাখতে পারেন, তাই ছকের সাহায্যে সাল-সহ তথ্যগুলো নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো।

ঘূর্ণিঝড় কী এবং কীভাবে সৃষ্টি হয়?

ঘূর্ণিঝড় (Cyclone) হলো সমুদ্রে সৃষ্ট এক প্রকার বিধ্বংসী ও শক্তিশালী নিম্নচাপজনিত ঝড়। খুব সোজা ভাষায় বলতে গেলে, যখন সমুদ্রের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে (সাধারণত ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি) যায়, তখন সেখানকার গরম বাতাস হালকা হয়ে দ্রুত উপরের দিকে উঠে যায়। ফলে নিচে একটি শূন্যস্থান বা শক্তিশালী নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। এই শূন্যস্থান পূরণ করতে চারপাশের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে ঠান্ডা ও ভারী বাতাস প্রবল বেগে ছুটে আসে। পৃথিবীর আবর্তনের ফলে এই বাতাস সোজা না এসে ঘুরতে ঘুরতে ভয়ংকর রূপ ধারণ করে, একেই আমরা সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে থাকি।

বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নাম, সাল ও নামকরণকারী দেশ

নিচে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্ট বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়, তাদের সৃষ্টির সাল, অর্থের বাংলা মানে এবং কোন দেশ তাদের নামকরণ করেছে তার একটি আপডেটেড বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হলো:

লাল রঙে হাইলাইট করা ঝড়গুলো সাম্প্রতিক সময়ে এবং বিভিন্ন পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশিবার এসেছে।
বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড় ও নামকরণকারী দেশের তালিকা
ঝড়ের নাম অর্থ নামকরণকারী দেশ সাল
অনিলবাতাসবাংলাদেশ২০০৪
মুকদামুক্তাথাইল্যান্ড২০০৬
আকাশউদারভারত২০০৭
সিডরচোখশ্রীলঙ্কা২০০৭
গণুতালপাতার তৈরি ব্যাগমালদ্বীপ২০০৭
নার্গিসফুলপাকিস্তান২০০৮
রেশমিকোমলশ্রীলঙ্কা২০০৮
খাইরুনউত্তমওমান২০০৮
নিশানারীবাংলাদেশ২০০৮
বিজলিবিদ্যুৎভারত২০০৯
আইলাডলফিনমালদ্বীপ২০০৯
মহাসেনসৌন্দর্য্যশ্রীলঙ্কা২০১৩
হুদহুদএকটি পাখির নামওমান২০১৪
কোমেনবিস্ফোরকথাইল্যান্ড২০১৫
রোয়ানুনারকেল ছোবড়ার দড়িমালদ্বীপ২০১৬
নাদাদান করাওমান২০১৬
মোরাসাগরের তারাথাইল্যান্ড২০১৭
তিতলিপ্রজাপতিপাকিস্তান২০১৮
গাজাহাতিশ্রীলঙ্কা২০১৮
ফণীসাপবাংলাদেশ২০১৯
বুলবুলএকটি পাখিপাকিস্তান২০১৯
কিয়ারবাঘমায়ানমার২০১৯
হিক্কাHiccupমালদ্বীপ২০১৯
বায়ুবাতাসভারত২০১৯
মহাবন্য হরিণওমান২০১৯
আম্ফানআকাশথাইল্যান্ড২০২০
নিসর্গপ্রকৃতিবাংলাদেশ২০২০
গতিগতিভারত২০২০
নিভারআলোইরান২০২০
বুরেভীকালো ম্যানগ্রোভ মালদ্বীপ২০২০
টাউকটেসরীসৃপ (গেকো)মায়ানমার২০২১
ইয়াস/যশহতাশাওমান২০২১
গুলাবগোলাপ ফুলপাকিস্তান২০২১
জাওয়াদমহান/উদারসৌদি আরব২০২১
অশনিক্রোধশ্রীলঙ্কা২০২২
সিত্রাংপাতাথাইল্যান্ড২০২২
মোকাইয়েমেনের একটি বন্দরইয়েমেন২০২৩
বিপর্যয়দুর্যোগ বা বিপদবাংলাদেশ২০২৩
তেজগতিভারত২০২৩
হামুনসমতল মরুভূমিইরান২০২৩
মিধিলিবিশাল গাছমালদ্বীপ২০২৩
মিচাংশক্তি বা দৃঢ়তামায়ানমার২০২৩
রেমালবালিওমান২০২৪
আসনাপ্রশংসিতপাকিস্তান২০২৪
ডানা (Dana)দামি মুক্তো/উদারতাকাতার২০২৪
ফেঙ্গালসুন্দর (প্রস্তাবিত)সৌদি আরব২০২৪
শক্তিশক্তি বা ক্ষমতাশ্রীলঙ্কা২০২৫
মন্থাসুগন্ধি ফুলথাইল্যান্ড২০২৫
সেনিয়ারসামুদ্রিক মাছসংযুক্ত আরব আমিরাত২০২৫
দিত্বাহএকটি উপত্যকার নামইয়েমেন২০২৬
অর্ণব (Arnab)সমুদ্র বা সাগরবাংলাদেশ২০২৬

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):

  • নামকরণের নিয়ম: ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (WMO) এবং ESCAP-এর নিয়ম অনুযায়ী বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের তীরবর্তী ১৩টি দেশ মিলে ঘূর্ণিঝড়গুলোর নাম ঠিক করে। প্রত্যেক দেশ ১৩টি করে নাম দেয়, অর্থাৎ মোট ১৬৯টি নামের একটি তালিকা আগে থেকেই প্রস্তুত থাকে।
  • নাম কেন দেওয়া হয়? নম্বর বা টেকনিক্যাল নামের বদলে সাধারণ মানুষের কাছে সহজে সতর্কতা পৌঁছাতে এবং মিডিয়াতে খবর সম্প্রচারের সুবিধার্থে ঝড়ের নামকরণ করা হয়।
  • সাইক্লোন বনাম টাইফুন বনাম হারিকেন: ভারত মহাসাগর বা বঙ্গোপসাগরে তৈরি হলে তাকে বলে 'সাইক্লোন' (Cyclone), প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে (চীন, জাপান) তৈরি হলে তাকে বলে 'টাইফুন' (Typhoon), আর আটলান্টিক মহাসাগরে (আমেরিকা) তৈরি হলে তাকে বলা হয় 'হারিকেন' (Hurricane)। যদিও সবগুলোর চরিত্র একই।
  • ডানা ও অর্ণব: সাম্প্রতিক 'ডানা' (Dana) ঝড়ের নামকরণ করেছে কাতার, যার অর্থ 'দামি মুক্তো'। আর এর পরবর্তী পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের দেওয়া 'অর্ণব' (যার অর্থ সমুদ্র) ঝড়টির নাম তালিকায় নথিভুক্ত আছে।
সাল সহ ঘূর্ণিঝড়ের সম্পূর্ণ তালিকাটি আপনারা নিচের দেওয়া লিংক থেকে পিডিএফ ফরম্যাটে বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

ফাইল ডিটেইলস

File Details:

  • File Name: ঘূর্ণিঝড়ের তালিকা (সাল সহ সম্পূর্ণ তালিকা)
  • File Format: PDF
  • No. of Pages: 4
  • File Size: 288 KB

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

সাম্প্রতিক ডানা (Dana) ঝড়ের নামকরণ করেছে কোন দেশ?
ডানা ঝড়ের নামকরণ করেছে কাতার। আরবি ভাষায় এর অর্থ হলো 'খুব সুন্দর এবং দামি মুক্তো' বা উদারতা।
ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় (Biparjoy) এর নামকরণ করেছে কে?
বিপর্যয় ঝড়ের নামকরণ করেছে বাংলাদেশ। এর অর্থ হলো 'বিপদ' বা 'দুর্যোগ' (২০২৩ সাল)।
রেমাল (Remal) ঝড়ের নামকরণ করেছে কোন দেশ?
রেমাল ঝড়ের নামকরণ করেছে ওমান। আরবি ভাষায় রেমাল কথার অর্থ হলো 'বালি' (Sand)।
ইয়াস (Yaas) কথার অর্থ কী?
ইয়াস ঝড়ের নামকরণ করেছে ওমান। ফার্সি ভাষায় এর অর্থ হলো 'হতাশা' বা এক ধরণের সুগন্ধি গাছ।

💡 কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও জিকে-র এই দরকারি নোটসটি আপনাদের উপকারে আসলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন!

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬

ভারতের সমস্ত মহাকাশ অভিযান তালিকা PDF | Indian Space Missions

ভারতের সমস্ত মহাকাশ অভিযান তালিকা PDF | ISRO Space Missions List In Bengali

ভারতের সমস্ত মহাকাশ অভিযান তালিকা ও ইসরো জিকে - ISRO Space Missions List in Bengali for Competitive Exams
ইসরো জিকে: ভারতের গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ মিশন এবং তাদের খুঁটিনাটি

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

সরকারি চাকরির পরীক্ষার (যেমন- WBCS, SSC, RRB, বা UPSC) প্রস্তুতি নিচ্ছেন? ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) বা ইসরোর বিভিন্ন অভিযান থেকে এখন প্রায় সব পরীক্ষাতেই প্রশ্ন আসে। "আর্যভট্ট কবে লঞ্চ হয়?", "চন্দ্রযান-৩ কবে চাঁদে নেমেছিল?" বা "গগনযান মিশন কী?"— এই ধরনের প্রশ্নগুলো খুবই কমন। আপনাদের রিভিশনের সুবিধার জন্য ইসরোর সমস্ত (৩২টি) গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ অভিযানের তালিকা নিচে ছকের মাধ্যমে দেওয়া হলো। সাথে থাকছে রিভিশনের জন্য একটি PDF নোটস।

ভূমিকা

Hello Aspirants,

জেনারেল নলেজ বা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়ার সময় 'বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি' পার্টটা অনেকের কাছেই বেশ বোরিং লাগে। বিশেষ করে ইসরোর (ISRO) এত এত স্যাটেলাইট আর রকেটের নাম মনে রাখা বেশ ঝামেলার। কিন্তু বিগত কয়েক বছরের প্রশ্নপত্র ঘাঁটলে দেখবেন, এই 'ভারতের মহাকাশ অভিযান তালিকা' (ISRO Missions List) থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন আসছে।

চাঁদের মাটিতে সফট ল্যান্ডিং হোক বা সূর্যের কাছে স্যাটেলাইট পাঠানো— বিশ্বের বুকে ভারতের মহাকাশ গবেষণা আজ এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। তাই বইয়ের খটমটে ভাষা বাদ দিয়ে, একদম সহজ কথায় ইসরোর সমস্ত মিশনগুলোর নাম ও তাদের অর্জন নিচে গুছিয়ে দেওয়া হলো।

মহাকাশ অভিযান বা মিশন আসলে কী?

খুব সোজা ভাষায় বলতে গেলে, পৃথিবীর বাইরে মহাকাশে স্যাটেলাইট, রোভার বা মানুষ পাঠানোর জন্য ইসরো (ISRO) যেসব প্রজেক্ট হাতে নেয়, সেগুলোকেই মহাকাশ অভিযান (Space Mission) বলা হয়। যেমন আবহাওয়া জানার জন্য, নেভিগেশন বা ম্যাপ দেখার জন্য, কিংবা চাঁদের মাটিতে কী আছে তা খোঁজার জন্য ইসরো বিভিন্ন সময় রকেট পাঠায়। এই প্রত্যেকটা প্রজেক্টেরই একটা নির্দিষ্ট নাম ও উদ্দেশ্য থাকে।

ভারতের সম্পূর্ণ মহাকাশ অভিযান তালিকা (১৯৭৫-২০২৭)

নিচে ভারতের স্পেস সেক্টরের প্রথম দিন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত মোট ৩২টি দরকারি মিশন, লঞ্চের সাল এবং প্রধান অর্জনগুলো সহজ করে দেওয়া হলো:

লাল রঙে হাইলাইট করা নামগুলো বিগত বছরের বিভিন্ন পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশিবার জানতে চাওয়া হয়েছে।
ভারতের সম্পূর্ণ মহাকাশ অভিযান তালিকা
অভিযানের নাম (Mission) বছর প্রধান উদ্দেশ্য বা অর্জন (Key Achievement)
আর্যভট্ট (Aryabhata) ১৯৭৫ ভারতের সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ। প্রাচীন ভারতীয় গণিতজ্ঞের নামে এর নামকরণ করা হয় (রাশিয়ার সাহায্যে লঞ্চ হয়েছিল)।
ভাস্কর-১ (Bhaskara-I) ১৯৭৯ ভারতের প্রথম রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট, যা মূলত জলবিদ্যা ও বনভূমি পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়।
ভাস্কর-২ (Bhaskara-II) ১৯৮১ রিমোট সেন্সিং এবং মাইক্রোওয়েভ পর্যবেক্ষণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য লঞ্চ করা হয়।
অ্যাপল (APPLE) ১৯৮১ এটি ছিল ভারতের প্রথম এক্সপেরিমেন্টাল জিওস্টেশনারি কমিউনিকেশন বা টেলিযোগাযোগ স্যাটেলাইট।
ইনস্যাট-১এ (INSAT-1A) ১৯৮২ ভারতের প্রথম অপারেশনাল কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট (INSAT মানে Indian National Satellite System)।
আইআরএস-১এ (IRS-1A) ১৯৮৮ ভারতের প্রথম সফল অপারেশনাল রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট (IRS মানে Indian Remote Sensing)।
পিএসএলভি-ডি১ (PSLV-D1) ১৯৯৩ PSLV রকেটের প্রথম উড়ান। এটি ব্যর্থ হলেও ভবিষ্যৎ PSLV রকেটের সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছিল।
আইআরএস-পি৩ (IRS-P3) ১৯৯৬ এটি ছিল PSLV রকেটের প্রথম পুরোপুরি সফল মিশন।
ইনস্যাট-২ই (INSAT-2E) ১৯৯৯ এটি একটি অ্যাডভান্সড কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট, যা ইনস্যাট পরিষেবাকে আরও উন্নত করেছিল।
টেস (TES) ২০০১ হাই-রেজোলিউশন ক্যামেরা যুক্ত স্যাটেলাইট (Technology Experiment Satellite)। এখান থেকেই ইসরোর হাই-রেজোলিউশন ছবি তোলার যুগের শুরু।
কল্পনা-১ (Kalpana-1 / MetSat-1) ২০০২ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের জন্য ভারতের প্রথম ডেডিকেটেড স্যাটেলাইট। ২০০৩ সালে মহাকাশচারী কল্পনা চাওলার মৃত্যুর পর এর নাম বদলানো হয়।
জিস্যাট-২ (GSAT-2) ২০০৩ GSLV রকেটের প্রথম সফল অপারেশনাল উড়ান। এতে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন টেস্ট করা হয়েছিল।
এডুস্যাট (EDUSAT / GSAT-3) ২০০৪ বিশ্বের প্রথম স্যাটেলাইট যা শুধুমাত্র শিক্ষামূলক পরিষেবার জন্য তৈরি। এর সাহায্যে দূরদর্শনে শিক্ষার অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরু হয়।
কার্টোস্যাট-১ (Cartosat-1) ২০০৫ ম্যাপ বানানো এবং নগর পরিকল্পনার জন্য হাই-রেজোলিউশন থ্রিডি (3D) ছবি তোলার স্যাটেলাইট।
চন্দ্রযান-১ (Chandrayaan-1) ২০০৮ ভারতের প্রথম চন্দ্র অভিযান। এই মিশনটি চাঁদের মাটিতে জলের অণুর সন্ধান পেয়েছিল, যা পুরো বিশ্বকে চমকে দেয়।
রিস্যাট-২ (RISAT-2) ২০০৯ ভারতের প্রথম রাডার ইমেজিং স্যাটেলাইট। যেকোনো আবহাওয়ায় বর্ডারে নজরদারি চালানোর ক্ষমতা এর ছিল।
ওশেনস্যাট-২ (Oceansat-2) ২০০৯ সমুদ্রের জলের রঙ, পৃষ্ঠের তাপমাত্রা এবং হাওয়ার গতিবিধি নজরে রাখার জন্য এটিকে পাঠানো হয়।
রিস্যাট-১ (RISAT-1) ২০১২ ভারতের সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম সিন্থেটিক অ্যাপারচার রাডার (SAR) স্যাটেলাইট। এটি মেঘলা আবহাওয়াতেও ছবি তুলতে পারে।
সরল (SARAL) ২০১৩ ফরাসি স্পেস এজেন্সির (CNES) সাথে মিলে তৈরি এই স্যাটেলাইট সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মাপার কাজ করে।
মঙ্গলযান (Mangalyaan / MOM) ২০১৩ প্রথম চেষ্টাতেই মঙ্গল গ্রহে পৌঁছানো প্রথম দেশ হলো ভারত। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যেও ভারতই প্রথম এই রেকর্ড গড়ে।
জিস্যাট-১৬ (GSAT-16) ২০১৪ কমিউনিকেশন বা যোগাযোগের জন্য পাঠানো তৎকালীন সবচেয়ে বড় ভারতীয় স্যাটেলাইট।
অ্যাস্ট্রোস্যাট (Astrosat) ২০১৫ এটি মহাকাশ গবেষণার জন্য ভারতের প্রথম ডেডিকেটেড স্পেস অবজারভেটরি (Space Observatory)।
পিএসএলভি সি-৩৭ (PSLV-C37) ২০১৭ একই সাথে ১০৪টি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ে ইসরো। এর মধ্যে ১০১টি ছিল বিদেশি স্যাটেলাইট।
ন্যাভিক (IRNSS / NavIC) ২০১৩-১৮ ভারতের নিজস্ব জিপিএস (GPS) সিস্টেম। ৭টি স্যাটেলাইটের এই নেটওয়ার্ক ভারতের মূল ভূখণ্ড ও চারপাশের ১৫০০ কিমি এলাকা কভার করে।
চন্দ্রযান-২ (Chandrayaan-2) ২০১৯ চাঁদের কক্ষপথে অরবিটার সফলভাবে পৌঁছালেও, এর 'বিক্রম' ল্যান্ডারটি চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করার ঠিক আগে ক্র্যাশ করে যায়।
ইওএস-০১ (EOS-01) ২০২০ কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে লঞ্চ হওয়া আর্থ অবজারভেশন বা পৃথিবী পর্যবেক্ষক রাডার ইমেজিং স্যাটেলাইট।
ওয়ানওয়েব ইন্ডিয়া-১ (OneWeb India-1) ২০২৩ LVM3 রকেট ব্যবহার করে ইসরো বাণিজ্যিক চুক্তিতে ৩৬টি ব্রডব্যান্ড স্যাটেলাইট লঞ্চ করে।
চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) ২০২৩ ভারতের সবচেয়ে বড় সাফল্য! ২৩শে আগস্ট ২০২৩ তারিখে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে সফলভাবে ল্যান্ড করে ভারত বিশ্বের প্রথম দেশ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
আদিত্য-এল১ (Aditya-L1) ২০২৩ ভারতের প্রথম সূর্য পর্যবেক্ষণ মিশন। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে ল্যাগরেঞ্জ পয়েন্ট (L1)-এ থেকে সূর্যের করোনা স্তর নিয়ে গবেষণা করছে।
এক্সপোস্যাট (XPoSat) ২০২৪ ব্ল্যাক হোল এবং নিউট্রন স্টার নিয়ে গবেষণার জন্য এটি ভারতের প্রথম এক্স-রে পোলারিমেট্রি মিশন।
ইনস্যাট-৩ডিএস (INSAT-3DS) ২০২৪ উন্নত আবহাওয়া পর্যবেক্ষক স্যাটেলাইট, যা আগের থেকে অনেক বেশি নির্ভুল আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে পারে।
গগনযান (Gaganyaan) ২০২৬-২৭ ভারতের প্রথম মানব মহাকাশ অভিযান। এর মাধ্যমে ৩ জন ভারতীয় মহাকাশচারীকে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে (LEO) পাঠানোর মেগা প্রজেক্ট চলছে।

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):

  • চাঁদের দক্ষিণ মেরু: চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্যের পর ভারত বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে পৌঁছানোর রেকর্ড গড়েছে, আর সফট ল্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ভারত চতুর্থ দেশ (আমেরিকা, রাশিয়া ও চীনের পর)।
  • ন্যাশনাল স্পেস ডে: ২৩শে আগস্ট ২০২৩ তারিখে চন্দ্রযান-৩ চাঁদে সফলভাবে ল্যান্ড করেছিল। তাই এই দিনটিকে ভারত সরকার 'জাতীয় মহাকাশ দিবস' (National Space Day) হিসেবে ঘোষণা করেছে।
  • মঙ্গলযানের খরচ: ভারতের প্রথম মঙ্গল অভিযানের খরচ ছিল মাত্র ৪৫০ কোটি টাকা, যা হলিউডের জনপ্রিয় সায়েন্স ফিকশন সিনেমা "গ্রাভিটি" (Gravity) তৈরির খরচের থেকেও কম!
  • ইসরোর লঞ্চ ভেহিকেল: ইসরোর সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত রকেট হলো PSLV (Polar Satellite Launch Vehicle), আর সবচেয়ে শক্তিশালী ও ভারী রকেট হলো LVM3 (যাতে করে চন্দ্রযান-৩ ও গগনযান পাঠানো হচ্ছে)।
ইসরোর মহাকাশ অভিযানের এই অত্যন্ত দরকারি তালিকাটি নিচে পিডিএফ ফরম্যাটে দেওয়া হলো, যাতে আপনারা অফলাইনে বা প্রিন্ট করেও পড়তে পারেন।

ফাইল ডিটেইলস

File Details:

  • File Name: ভারতের সমস্ত মহাকাশ অভিযান তালিকা
  • File Format: PDF
  • No. of Pages: 4
  • File Size: 303 KB

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম কী?
ভারতের প্রথম নিজস্ব কৃত্রিম উপগ্রহের নাম হলো 'আর্যভট্ট', যা ১৯৭৫ সালে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল।
চন্দ্রযান-৩ মিশন কবে চাঁদে ল্যান্ড করেছিল?
চন্দ্রযান-৩ মিশনটি ২৩শে আগস্ট ২০২৩ তারিখে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে সফলভাবে সফট ল্যান্ড করেছিল।
মঙ্গলযান মিশন কবে লঞ্চ করা হয়?
ভারতের প্রথম মঙ্গল অভিযান বা 'মঙ্গলযান' (MOM) ২০১৩ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল, যা প্রথম চেষ্টাতেই সফল হয়।
ইসরোর গগনযান প্রজেক্ট আসলে কী?
গগনযান হলো ভারতের প্রথম মানব মহাকাশ মিশন, যার মাধ্যমে ভারতীয় মহাকাশচারীদের পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে (Low Earth Orbit) পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আদিত্য-এল১ (Aditya-L1) মিশন কেন পাঠানো হয়েছে?
আদিত্য-এল১ হলো ভারতের প্রথম সৌর মিশন বা সূর্য পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট। সূর্য ও তার করোনা স্তর নিয়ে গভীরভাবে গবেষণা করার জন্যই এটি পাঠানো হয়েছে।

💡 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই দরকারি নোটসটি আপনাদের উপকারে আসলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। কোনো প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন!

সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬

ক্লার্কশিপ বিগত বছরের প্রশ্নপত্র PDF | WBPSC Clerkship Prelims & Mains Question Papers

পিএসসি ক্লার্কশিপ এর আগের বছরের প্রশ্নপত্র PDF | প্রিলি ও মেইনস

Download WBPSC Clerkship Previous Year Question Papers PDF for Prelims and Mains (2006-2024)
পরীক্ষার প্রস্তুতি: পিএসসি ক্লার্কশিপ (২০০৬-২০২৪) প্রিলিমিনারি ও মেইনস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (WBPSC) আয়োজিত ক্লার্কশিপ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন? যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বাজিমাত করার প্রধান শর্ত হলো বিগত বছরের প্রশ্নপত্র (WBPSC Clerkship Previous Year Question Paper) খুব ভালোভাবে এনালাইসিস করা। পরীক্ষায় ঠিক কী ধরনের প্রশ্ন আসে, বা ডেসক্রিপটিভ পেপারে কী লিখতে দেয়— এগুলো বুঝতে আগের বছরের প্রশ্নগুলো দেখা অত্যন্ত জরুরি। আপনাদের সুবিধার্থে ২০০৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ক্লার্কশিপ প্রিলিমিনারি (Prelims) এবং মেইনস (Mains) পরীক্ষার আসল প্রশ্নপত্রগুলো বিনামূল্যে PDF ফরম্যাটে নিচে দেওয়া হলো।

ভূমিকা

Hello Aspirants,

পিএসসি ক্লার্কশিপ (PSC Clerkship) পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি বেরোলেই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে একটা আলাদা উন্মাদনা দেখা যায়। কারণ শুধুমাত্র মাধ্যমিক পাসে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চাকরি পাওয়ার এটি একটি দারুণ সুযোগ। তবে মনে রাখবেন, এই পরীক্ষায় কম্পিটিশন প্রচুর!

অন্যদের থেকে একধাপ এগিয়ে থাকতে গেলে PSC ঠিক কীরকম প্রশ্ন করে, সেটা সবার আগে জানা দরকার। বাজারে অনেক প্র্যাকটিস সেট পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু আসল প্রশ্নের মান বুঝতে গেলে আগের বছরগুলোতে হয়ে যাওয়া Clerkship Prelims & Mains Question Papers PDF সলভ করাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

বিগত বছরের প্রশ্নপত্র (PYQ) দেখা আসলে কেন জরুরি?

বিগত বছরের প্রশ্নপত্র বা PYQ (Previous Year Questions) সলভ করার প্রধান কারণ হলো— এটি আপনাকে পরীক্ষার আসল আয়না দেখায়। প্রিলিমিনারিতে জিকে (GK), অঙ্ক (Math) এবং ইংরেজি (English) থেকে কোন টপিকগুলোতে বেশি জোর দেওয়া হয়, বা পার্ট-২ (Mains) পরীক্ষায় রিপোর্ট রাইটিং ও প্রেসি লেখার মান কেমন হওয়া উচিত— সেটা আগের বছরের প্রশ্নগুলো দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যায়। এছাড়া পরীক্ষার হলে টাইম ম্যানেজমেন্ট শিখতেও এর কোনো বিকল্প নেই।

সাল অনুযায়ী বিগত বছরের প্রশ্নপত্র (২০০৬-২০২৪) PDF

নিচে ডব্লিউবিপিএসসি ক্লার্কশিপ প্রিলিমিনারি (Part-I) এবং মেইনস (Part-II) পরীক্ষার বিগত বছরগুলোর প্রশ্নপত্রের গুগল ড্রাইভ ডাউনলোড লিংক সাল অনুযায়ী (Year-wise) পরপর দেওয়া হলো। আপনার প্রয়োজনীয় বাটনে ক্লিক করে সরাসরি PDF গুলি সংগ্রহ করে নিন:

কালার কোড: নীল রঙের বাটনগুলো প্রিলিমস (Prelims) এবং লাল রঙের বাটনগুলো মেইনস (Mains) প্রশ্নপত্রের জন্য দেওয়া হয়েছে।

ক্লার্কশিপ প্রশ্নপত্র - ২০০৬-২০০৯ ও ২০০৭ (Old Papers)

ক্লার্কশিপ প্রশ্নপত্র - ২০১৫ (2015 Papers)

ক্লার্কশিপ প্রশ্নপত্র - ২০১৯ (2019 Papers)

ক্লার্কশিপ প্রশ্নপত্র - ২০২৪ (2024 Papers)

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):

  • পার্ট-১ (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষার প্যাটার্ন: প্রিলিমিনারি পরীক্ষাটি ১০০ নম্বরের হয়। এখানে মূলত তিনটি বিষয় থাকে— সাধারণ জ্ঞান বা জিকে (৪০ নম্বর), পাটিগণিত (৩০ নম্বর) এবং ইংরেজি (৩০ নম্বর)। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১।
  • নেগেটিভ মার্কিং: হ্যাঁ, পার্ট-১ পরীক্ষাতে নেগেটিভ মার্কিং থাকে (সাধারণত প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যায়)। তাই আন্দাজে উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকাই ভালো।
  • পার্ট-২ (মেইনস) পরীক্ষার প্যাটার্ন: এটি একটি ডেসক্রিপটিভ (Descriptive) বা বর্ণনামূলক পরীক্ষা। গ্রুপ এ-তে ইংরেজি (৫০ নম্বর) এবং গ্রুপ বি-তে বাংলা/নেপালি/হিন্দি/উর্দু (৫০ নম্বর) লিখতে হয়। এখানে রিপোর্ট রাইটিং, প্রেসি ও ট্রান্সলেশন থাকে।
  • কম্পিউটার টাইপিং টেস্ট: পার্ট-১ ও পার্ট-২ পাস করার পর প্রার্থীদের কম্পিউটার টাইপিং টেস্ট দিতে হয়। এখানে স্পিড লাগে ইংরেজিতে ২০টি শব্দ/মিনিট অথবা বাংলায় ১০টি শব্দ/মিনিট।
  • PYQ-এর জাদুকরী ক্ষমতা: পিএসসি-র বিভিন্ন পরীক্ষায় (যেমন- মিসলেনিয়াস, ফুড এসআই, ডব্লিউবিসিএস) আগের বছরের জিকে (GK) প্রশ্ন ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে রিপিট হতে দেখা যায়। তাই এই প্রশ্নগুলো সলভ করা আবশ্যিক।
উপরের ডাউনলোড বাটনগুলো থেকে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করার পাশাপাশি, নতুন প্রার্থীদের সুবিধার্থে নিচে ক্লার্কশিপ পরীক্ষার অফিসিয়াল সিলেবাসের PDFটি দেওয়া হলো।

ফাইল ডিটেইলস

Syllabus File Details:

  • File Name: WBPSC Clerkship Detailed Syllabus & Exam Pattern
  • File Format: PDF
  • Language: Bengali & English
  • Type: Official Reference

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

WBPSC ক্লার্কশিপ পরীক্ষায় নির্বাচন পদ্ধতি (Selection Process) কীরকম হয়?
এই পরীক্ষায় মূলত তিনটি ধাপ থাকে। প্রথমে পার্ট-১ বা অবজেক্টিভ প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এটি পাস করলে পার্ট-২ বা ডেসক্রিপটিভ মেইনস পরীক্ষা দিতে হয়। এরপর শেষে হয় কম্পিউটার টাইপিং টেস্ট।
ক্লার্কশিপ প্রিলিমিনারি পরীক্ষাতে কি নেগেটিভ মার্কিং থাকে?
হ্যাঁ, পার্ট-১ বা প্রিলিমিনারি পরীক্ষাতে নেগেটিভ মার্কিং থাকে। সাধারণত প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নম্বর থেকে ০.২৫ নম্বর কাটা যায়।
পার্ট-২ (Mains) পরীক্ষাতে কী ধরনের প্রশ্ন আসে?
পার্ট-২ হলো ডেসক্রিপটিভ পরীক্ষা। এখানে ইংরেজি এবং বাংলা (বা অন্যান্য ভাষা) ভাষায় একটি করে খসড়া প্রতিবেদন (Report), সারাংশ (Precis) এবং অনুবাদ (Translation) লিখতে দেওয়া হয়।
বিগত বছরের প্রশ্নপত্র (PYQ) সলভ করা কেন এতটা জরুরি?
বিগত বছরের প্রশ্নপত্র সলভ করলে পরীক্ষার প্যাটার্ন, প্রশ্নের কাঠিন্য স্তর এবং পিএসসি-র প্রিয় টপিকগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়া পরীক্ষার হলে টাইম ম্যানেজমেন্ট করতেও এটি খুব সাহায্য করে।
ক্লার্কশিপের কম্পিউটার টাইপিং টেস্টের জন্য কত স্পিড প্রয়োজন?
কম্পিউটার টাইপিং টেস্টের জন্য ইংরেজিতে মিনিটে অন্তত ২০টি শব্দ (20 WPM) অথবা বাংলায় মিনিটে অন্তত ১০টি শব্দ (10 WPM) টাইপ করার স্পিড থাকতে হয়।

💡 WBPSC ক্লার্কশিপ পরীক্ষার এই বিগত বছরের প্রশ্নপত্রগুলো (PYQ) আপনার প্রস্তুতিতে সাহায্য করলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। কোনো বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে লিখে জানান!